সিলেটে 'এক জীবনের গান’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

সিলেটে 'এক জীবনের গান’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

'এক জীবনের গান' বইয়ের লেখকের শৈশব থেকে শুরু করে বিদেশের উন্নত জীবন, গ্রামীন জীবন, আবেগ-অনুভূতি, সমাজ, সংস্কৃতি ও অর্থনীতি সবকিছু ফুঁটে ওঠেছে। বইটির নাম একজীবনের গান হলেও তিনি তার প্রাঞ্জল বর্ণনায় লক্ষ জীবনের কথা বলেছেন।

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফার্মাকোলজি বিজ্ঞানী ড. সালেহ হোসেন-এর এক জীবনের গান-এর প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

বক্তারা বলেন, তরুণরা বইটি পড়লে উপকৃত হবে এবং এটি হবে ইতিহাসের এক মাইলফলক। সিলেটের ইতিহাস ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে বইটি রেফারেন্স হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করেন তিনি।

সোমবার রাতে সিলেট প্রেসক্লাবের আমীনুর রশীদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, শাবির ইংরেজী বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আতীউল্লাহ।

সত্তর দশকের অন্যতম কবি ও কথাসাহিত্যিক সালেহ আহমদের সভাপতিত্বে ও সংযোগ প্রকাশ, ঢাকার প্রধান নির্বাহী কাদের বাবুর সঞ্চালনায় বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে আলোচক ছিলেন, শাবিপ্রবির ইংরেজী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ রাজিক মিয়া, জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাক্তন প্রিন্সিপাল কর্নেল সৈয়দ আলী আহমদ, ফেঞ্চুগঞ্জ সরকারি কলেজের প্রাক্তন প্রিন্সিপাল কবি কালাম আজাদ, সিলেট প্রেসক্লাব সভাপতি ইকরামুল কবির, কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ, সিলেটের সাধারণ সম্পাদক সেলিম আউয়াল, লোক গবেষক সাংবাদিক সুমন কুমার দাশ। লেখককে নিয়ে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করেন সিলেট এমসি কলেজের শিক্ষার্থী শামসুজ্জামান পাভেল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাবিপ্রবির প্রোভিসি ড. সাজেদুল করিম বলেন, ‘আত্মজীবনী কেউ সততার সঙ্গে লিখলে তিনি হয়ে ওঠেন ইতিহাসের মহানায়ক। ড. সালেহ হোসেন তাদের মধ্যে একজন। তিনি মনে করেন, তার বই পড়ে একজন তরুণ-কিশোরও যদি উপকৃত হয় তবে তিনি সফল। আমি মনে করি এক জীবনের গান সমাজের শত শত তরুণ পড়বে এবং তারা উপকৃত হবে।’

লেখক ড. সালেহ হোসেন বলেন, ‘আজ সমাজের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ তরুণ প্রজন্ম। তারা আগামীর জাতি গঠনের কারিগর। তাদের জন্য আমি এই বইটি লিখেছি।’তিনি বলেন, ‘এই আত্মজীবনীতে আমি আমার জীবনের নানা অধ্যায় তুলে ধরেছি। কীভাবে ছোট ছোট স্বপ্নগুলো বড় লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে, কীভাবে ব্যর্থতার মধ্যেও আমি এগিয়ে যাওয়ার শক্তি খুঁজে পেয়েছি। অকপটে আমার জীবনকথা খুলে বলেছি যাতে তরুণরা উদ্বুদ্ধ হয়।

প্রসঙ্গত, সালেহ হোসেন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফার্মাসিউটিক্যাল বিজ্ঞানী। ড. সালেহ হোসেন ৪৩ বছর বয়সে তিনি কানাডার স্বনামধন্য বিদ্যাপিঠ, ইউনিভার্সিটি অব আলভার্টা থেকে গৌরবের সঙ্গে পিএইচডি লাভ করেন।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন