ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ও রাষ্ট্রদূত প্রফেসর ড. আনোয়ার উল্লাহ্ চৌধুরী বলেছেন, আমরা এখন গণতন্ত্র চাই, ভোটের অধিকার এবং আমাদের কথা বলার স্বাধীনতা চাই। তাছাড়া নির্বাচনে যেন দিনের ভোটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়, এই ভোটের মাধ্যমে দেশে মানবাধিকার এবং গণতন্ত্র যেন ফিরে আসে সেটাই চায় জনগণ।
শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এশিয়া মানবাধিকার সংস্থার আয়োজনে ‘জনগণের প্রত্যাশায় আগামীর বাংলাদেশ ও মানবাধিকার বিষয়ক শীর্ষক’ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন, ২০০৮ সালে ১/১১ এর মাধ্যমে এবং হাসিনা সরকারের আমলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান বাতিল করে দিলো। এরপর থেকে গণতন্ত্র আর মানুষের ভোটের অধিকার রইলো না। আপনারা জানেন ২০১৪ সালে বিনাভোটে ১৫৪ জন নির্বাচিত হয়ে গেল। ১৮ সালে দিনের ভোট রাতে হয়ে গেল। ২৪ সালে ডামি নির্বাচন হলো। অর্থাৎ মানুষ আর ভোট দিতে পারলো না। ভোটের অধিকার কেড়ে নিলো।
সাবেক এই রাষ্ট্রদূত বলেন, যে দেশের মানুষরে ভোটের অধিকার থাকবে না, কথা বলার অধিকার থাকবে না। সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা থাকবে না, তো সে দেশ স্বাধীন কিভাবে হয়! গত ১৬ বছরে আমাদের যেভাবে রাখা হয়েছিল সেই জায়গা থেকে মানুষ বিদ্রোহ করার চেষ্টা করে, আন্দোলন করার চেষ্টা করে। আর এর প্রতিফলন ঘটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে। এই অভ্যুত্থান শুধু ছাত্ররা করেনি। দেশের জনগণও করেছে। তারা আহত হয়েছে, জীবন দিয়েছে। কারণ জনগণ তাদের অধিকার চায়, মানবাধিকার চায়।
এশিয়া মানবাধিকার সংস্থার উপদেষ্টা মোস্তফা কামাল মজুমদারের সভাপতিত্বে এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর জসিম উদ্দিন।
এ ছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন হুমায়ুন কবির বেপারি, এসএম রহমতুল্লাহ ও ইমান সিদ্দিকি প্রমুখ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

