ভোলায় আবাসিক গ্যাস সংযোগ, সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন এবং ভোলা-বরিশাল সেতু বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ কর্মসূচি শেষে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপিও দিয়েছেন তারা। এ সময় দাবি আদায় না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা। রোববার সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘আগামীর ভোলা’ ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি মীর মোহাম্মদ জসিমের সভাপতিত্বে অ্যাডভোকেট ইমরান হোসেন ও ইলিয়াস মাতাব্বর সঞ্চালনায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বক্তব্য দেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ভোলায় প্রায় ২৫ লাখ লোকের বসবাস। জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের ন্যূনতম চিকিৎসা সেবা নেই, যাতায়াতের জন্য সেতু নেই, গ্যাস সংযোগ নেই। এমনকি মূল ভূখণ্ডের মানুষের জন্য নামমাত্র কিছু স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র থাকলেও সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা পাওয়াও দুষ্কর। এর মূল কারণ হলো ভঙ্গুর প্রশাসনিক ব্যবস্থায় চিকিৎসকদের ভোলার হাসপাতালগুলোতে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। এতে প্রতিদিন অনেকে বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছে।
ভোলা-৪ আসনের সাবেক সংসদ-সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম বলেন, ভোলা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এখনো আমাদের কোনো ঘরে গ্যাস সংযোগ নেই। প্রতিটি বাড়িতে দেওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। ভোলা-বরিশাল সেতু এখন পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়নি। চারদিকে নদী তবুও নানা সংগ্রাম করে ছাত্র-ছাত্রীরা পড়াশোনা করছে। তবে অনেকের তা সম্ভব হচ্ছে না। উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল দরকার। তাই আমি বর্তমান সরকারকে অনুরোধ করবে ভোলাবাসীর দাবি নিয়ে কাজ শুরু করেন।
সমাপনী বক্তব্যে মীর মোহাম্মদ জসিম বলেন, এই সমাবেশ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন, সেতু নির্মাণ ও ন্যায্য গ্যাসের দাবিতে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। এই দাবি মেনে নেওয়ার জন্য সরকারকে ১৫ দিন সময় দেওয়া হলো। তা না হলে কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

