গৃহবধূ কেয়া হত্যা মামলায় স্বামীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

গৃহবধূ কেয়া হত্যা মামলায় স্বামীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

রাজধানীর মিরপুরের শেওড়াপাড়ায় চাঞ্চল্যকর ফাহমিদা তাহসিন কেয়া হত্যা মামলায় নিহতের স্বামী সিফাত আলীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজুর রহমানের আদালত বাদীপক্ষের আইনজীবীর আবেদন আমলে নিয়ে এ আদেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসফাকুর রহমান গালিব বলেন, ভিকটিম কেয়াকে তার স্বামী সিফাত আলী হত্যা করেছে। এজন্য আমরা আগেই তার তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করি। আদালত শুনানি শেষে আসামির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।

এ মামলায় অপর আসামিরা হলেন- দিশা সিকদার, কাজী মারুফ নেওয়াজ প্রেম, মো. আজাদ হোসেন, মনির, মো. জীবন, ড্রাইভার মুকুল, মাহফুজ সিকদার, ড্রাইভার ইমতিয়াজ। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনকে এ ঘটনায় জড়িত বলে দাবি করছেন নিহতের পরিবার।

মামলায় অভিযোগ, সৈয়দা ফাহমিদা তাহসিন কেয়া প্রায় ১৩ বছর আগে আসামি সিফাত আলীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের সংসারে এক মেয়ে ও তিন ছেলে রয়েছে। তবে বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক কলহ, শারীরিক নির্যাতন ও মাদকাসক্ত স্বামীর নির্যাতনে ভুগছিলেন কেয়া। গত ১৪ আগস্ট রাত আনুমানিক ১২টা থেকে ১টা ৫৬ মিনিটের মধ্যে মিরপুরের পশ্চিম শেওড়াপাড়া এলাকার একটি ফ্লাটে কেয়ার স্বামী সিফাত আলী ও আরো কয়েকজন মিলে যোগসাজশে তাকে হত্যা করে।

এ ঘটনার পর রাতে সিফাত আলী তার শ্বাশুড়ি নাজমা বেগমকে ফোন করে জানায় কেয়া নেই। পরে তারা কেয়ার খোঁজে বের হলে, সিফাত প্রথমে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে বলেন। পরে মত পরিবর্তন করে বিআরবি হাসপাতালে যাওয়ার নির্দেশ দেন। সেখানে উপস্থিত হয়ে তারা জানতে পারেন, কেয়া মৃত। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কেয়ার লাশ ঢামেকে নিয়ে যেতে বলেন। কেয়া হত্যার অভিযোগে রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন তার মা নাজমা বেগম।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন