আসন্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন ঘিরে সেনাবাহিনীকে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোটগ্রহণের দিন থেকে শুরু করে গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত সেনা সদস্যরা ভোটকেন্দ্রে অবস্থান করবেন বলে জানিয়েছেন চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।
মঙ্গলবার সকালে নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের এক বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
বৈঠকের মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচারণা শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়।
ড. জসীম উদ্দিন বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতির ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে। ডাকসু নির্বাচনও জাতির কাছে একটি মডেল হতে পারে। প্রার্থীদের অনুরোধ করবো দলীয় রাজনীতির বাইরে গিয়ে গণতন্ত্রের সৌন্দর্য বজায় রাখুন। Let's make a historic DUCSU.’
থাকছে তিনস্তরের নিরাপত্তা বলয়
নির্বাচনকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে—
প্রথম স্তরে থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রক্টোরিয়াল বডি ও ডিএনসিসির ২০০ সদস্য; দ্বিতীয় স্তরে পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন; তৃতীয় স্তরে সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে প্রস্তুত থাকবে, যারা ৫ মিনিটের মধ্যে যেকোনো ভোটকেন্দ্রে পৌঁছাতে সক্ষম।
ভোট শেষে ফলাফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত সেনা সদস্যরা কেন্দ্র নিয়ন্ত্রণে রাখবেন বলেও জানানো হয়েছে। এছাড়া ভোটের সাত দিন আগে থেকেই হলে বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে, এবং নির্বাচনের দুদিন (৮-৯ সেপ্টেম্বর) ঢাবি স্টেশনে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ থাকবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন



