অতিরিক্ত ভোজন, অপচয় কিংবা অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস শারীরিক সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই ঈদের পরও আমাদের উচিত সুষম খাদ্য গ্রহণ, পর্যাপ্ত পানি পান এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা।
ইসলাম কেবল ইবাদতের নির্দেশনা দেয় না, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা প্রদান করে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মানুষকে সময়ানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধ শেখায়। একইভাবে রোজা আত্মসংযম ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অনুশীলন। এসব ইবাদত শুধু আধ্যাত্মিক উন্নতির মাধ্যম নয়, বরং ব্যক্তিজীবনকে সুসংগঠিত করারও কার্যকর উপায়। শারীরিক সুস্থতার ক্ষেত্রেও ইসলাম কায়িক পরিশ্রম ও কর্মমুখর জীবনকে উৎসাহিত করেছে। নিয়মিত হাঁটা, ব্যায়াম ও সক্রিয় জীবনধারা শরীরকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তিও বৃদ্ধি করে। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানও নিয়মিত শারীরিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্বের ওপর বিশেষ জোর দেয়।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, হেপাটোলজি বিভাগ, কুড়িগ্রাম সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

