আইসিএক্স টেলিকম খাতের তৃতীয় চোখ। এই খাতের ওয়াচ ডগ। দেশীয় স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে নতুন টেলকো টপোলজি রাজস্ব আয়ে ধ্বংস নামাবে এবং বেকারত্ব সৃষ্টি ও জাতীয় নিরাপত্তা সঙ্কটে ফলবে। এই খাত থেকে আইিএক্স বাতিল হলে এক ধাক্কায় সরকার বছরে ৩০০ কোটি টাকা কমবে। বিপরীতে আয় হবে ১৬ কোটি টাকা। কর্মসংস্থান হারাবে ৭০০ প্রকৌশলী।
গতকাল বৃহস্পতিবার টেলিকম নীতি পরিবর্তনের সন্ধিক্ষণে আইসিএক্স ও টেলিকম রিপোর্টারদের খোলামেলা সংলাপে এমনটাই দাবি করেছে ব্যবসায়ীরা। খসড়া টেলিযোগাযোগ সংস্কার নীতিমালা-২০২৫: ইন্টারকানেক্সন এক্সচেঞ্জ (আইসিএক্স) এর প্রাসঙ্গিকতা অনুষ্ঠিত কর্মশালায় ব্রিফিংয়ে এ দাবি জানানো হয়।
আইওবি কোষাধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খুরশীদ আলম (অব) জানান, স্থানীয় ব্যবাসা ও উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দেয়া, মানিলন্ডারিং বন্ধ এবং জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় আইএলডিটিএস নীতিমালা করা হয়েছিলো। তিনি বলেন, চার মাস আগে টিডিএম থেকে আইপিতে যেতে সরকারি নির্দেশনা ১৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে আমরা সর্বশেষ টেলিকম প্রযুক্তি স্থাপন করেছি। কিন্তু এখন নতুন টপোলজি পুরো খাতকে হুমকির মুখে ফেলেছে। সরকার লেয়ার কমানোর কথা বলে মোবাইল অপারেটরদের লাইসেন্স ছাড়াই গেটওয়ে লেবেলে সবক্ষেত্রেই সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।
ভয়েসটেল চিফ অপারেটিং অফিসার মুস্তাফা মাহমুদ হোসেন, বাংলা আইসিএক্স পরিচালক হাসিবুর রহমান, বাংলাটেলিকম সিইও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আব্দুল হান্না (অব), ইমাম নেটওয়ার্ক লিমিটেড সিইও এম নুরুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, মোবাইল কলের ২ টাকা ৪০ পয়সার মধ্যে আইসিএক্স পায় ৪ পয়সা। দুই পয়সা বিটিআরসিকে দিয়ে দিতে হয়। এই দুই পয়সার মধ্যে ১ পয়সা লাইসেন্স, ট্যাক্স, ভ্যাট বাবদ চলে যায়। আইসিএক্স কোম্পানিগুলোর কাছে থাকে কেবল এক পয়সা। এই এক পয়সা কাটতে গিয়ে ময়ূরের পুচ্ছ কাটার দশা হেবে বলে মনে করেন খাত সংশ্লিষ্টরা। এক্ষেত্রে আইএলডিটিএস পলিসির পরিবর্তনকে ভালোভাবে নিচ্ছেন না স্থানীয় উদ্যোক্তারা।
টিআরএনবির সভাপতি সমীর কুমার দে এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

