আগস্ট-শ্রাবণ-সফর

বাংলাদেশের কালচারাল ক্যালেন্ডার

বাংলাদেশের কালচারাল ক্যালেন্ডার

৩ আগস্ট ১৯৪৩ : কবি, কথাসাহিত্যিক, গবেষক, সাহিত্য সমালোচক ও সম্পাদক আবদুল মান্নান সৈয়দের জন্ম। বাংলা সাহিত্যের সব্যসাচী লেখক হিসেবে তিনি সমাদৃত। সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার এবং ২০১২ সালে একুশে পদক পান।

৪ আগস্ট ১৯৪৭ : কবি আবুল হাসানের জন্ম। স্বল্পায়ু জীবনে তিনি বাংলা কবিতায় গভীর বেদনা, প্রেম ও অস্তিত্ববোধের এক অনন্য কাব্যভুবন তৈরি করেন। ‘রাজা যায় রাজা আসে’ এবং ‘যে তুমি হরণ করো’ তার উল্লেখযোগ্য কবিতাবই।

বিজ্ঞাপন

৪ আগস্ট ১৮৩৯ : মধ্যযুগের মরমী কবি কানাই ফকির মারা যান। যিনি কানাই শেখ বা পাগলা কানাই নামেও পরিচিত। তিনি ১৮০৩ (মতান্তরে ১৮০৯) সালে ঝিনাইদহ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৯২ সালে মারা যান। তিনি ধুয়া ও জারি গান এবং অসংখ্য দেহতত্ত্ব ও মারফতি গানের রচিয়তা।

৩৬ জুলাই (৫ আগস্ট) ২০২৪ : ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতন ঘটে। ছাত্র-জনতার ভয়ে তিনি ভারতে পালিয়ে যান। জুলাই বিপ্লব বাংলাদেশের স্বাধীনতা রক্ষা করা এবং বাংলাদেশীদের পরিজয়-অধিকার-মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লড়াই। ছাত্রদের নেতৃত্বে গোটা দেশের শ্রমিক, শিক্ষক, পেশাজীবীসহ সব ধারার মানুষের অংশগ্রহনে এটি সফল হয়। এই বিপ্লবে প্রায় দেড় হাজার বিপ্লবী শহিদ এবং প্রায় ত্রিশ হাজার আহত হন।

৫ আগস্ট ২০২৬ : জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বা জুলাই জাদুঘর সবার জন্য খুলে দেওয়া হয়। উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী জনাব রহমান। সাবেক ইন্টেরিম সরকারের আমলে জাদুঘরের বেশির ভাগ কাজ শেষ হয়। বর্তমান সরকার এটি খুলে দেয়। জাদুঘরে স্বৈরাচার আমলে ঘটিত বিশেষ অপরাধ নিয়ে আলাদা সেকশন করা হয়েছে।

৫ আগস্ট ১৯৪৪ : বাঙালি জাতিয়তাবাদী কবি মহাদেব সাহা জন্মগ্রহণ করেন। প্রেম, প্রকৃতি ও জীবন তার কবিতার প্রধান উপজীব্য। বাংলা কবিতায় বিশেষ অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার এবং একুশে পদক পান।

৫ আগস্ট ১৯৭৫ : কবি, সাংবাদিক ও সম্পাদক সিকান্দার আবু জাফর মারা যান। তিনি সাহিত্যপত্র ‘সমকাল’-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ১৯৬৬ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন এবং (মরণোত্তর) একুশে পদক পান।

৭ আগস্ট ১৯৮১ : কথাসাহিত্যিক ও ইতিহাসবিদ মাহবুব-উল আলম মারা যান। তার আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস মোমেনের জবানবন্দী বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ লেখা, যা উর্দু ও ইংরেজিতে অনূদিত হয়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াতালিকায় যুক্ত হয়। তার মফিজন (১৯৪৬) উপন্যাস বাংলা সাহিত্যের ক্লাসিক। সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ১৯৭৮ সালে একুশে পদক পান।

গ্রন্থনা : সাহিত্য সাময়িকী টিম

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন