আমাদের দীর্ঘ বিকাশকাল ও ইতিহাসের গভীরে প্রতিষ্ঠিত দুজন মহান ব্যক্তির নাম আমরা কম স্মরণ করি—রচনায় ও আলোচনায়ও। অথচ তাদের আবির্ভাব ও অবদানের ফসল আজকের বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা।
আমরা যে ঢাকায় বসবাস করি, সেই ঢাকা মাত্র তিন বছরে রাজধানী হয়ে উঠেছিল যার আগ্রহ ও পরিকল্পনায়, তার মূল নাম ‘ইসলাম খান’ না হলেও কেন তাকে এই উপাধি দেওয়া হয়েছিল, তা আমরা খুঁজে দেখার চেষ্টা করিনি। আসলে এরই গভীরে লুকিয়ে আছে রাজধানী ঢাকার প্রকৃত পরিচয়। মুসলিমরা তাদের হাজার বছরের অগ্রাভিযানে হাজার হাজার শহর জয় করেছিল, আবাদ করেছিল; কিন্তু এগুলোর অধিকাংশ মুসলিম অধ্যুষিত হলেও কেবল দু-চারটি ‘মসজিদের শহর’ অভিধায় ভূষিত হয়েছে, যার একটি ‘ঢাকা’।
তাই ইসলাম খানকে না জানলে ও না চিনলে ঢাকাকে চেনা যায় না এবং বখতিয়ারকে না চিনলে বঙ্গ, বাঙালা ও বাংলাদেশকে চেনা যাবে না।
ইসলাম খানের পুরো নাম ‘শায়খ আলাউদ্দিন ইসলাম খান চিশতি’। কেন তিনি ‘শায়খ’, কেন তিনি ‘ইসলাম খান’ এবং কেন তিনি ‘চিশতি’—এ প্রশ্ন আমরা করি না। বিষয়টি অনেকে চেতনে এড়িয়ে যান এবং অনেকে একে কেবল নাম মনে করেন। যারা কেবল নাম মনে করেন, সেই সরলদের বিষয়ে কথা নেই, তবে এ পর্যন্ত যাদের হাতে বাংলা ভাষায় ঢাকা-বিষয়ক অধিকাংশ কেতাব রচিত হয়েছে, তারা সচেতনভাবে এ বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন। এর পেছনে লুকিয়ে আছে মূঢ়তা ও ইসলামোফোবিয়া।
ইসলাম খানকে তার পাণ্ডিত্যের জন্য ‘শায়খ’ বলা হতো, তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টিতে নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন বলে সম্রাটের পক্ষ থেকে তাকে ‘ইসলাম খান’ উপাধি দেওয়া হয়েছিল এবং তিনি চিশতি সিলসিলার পীর ছিলেন বলে তাকে ‘চিশতি’ বলা হতো। তিনি যে মুজাদ্দিদে আলফে সানি শায়খ আহমাদ সিরহিন্দির আদর্শের অনুরাগী ছিলেন, সে তথ্যও আমরা পাই বিভিন্ন সূত্রে। ইসলামে সমর্পিত এমনই এক মহান মনীষীর হাতে ঢাকা শহরের পত্তন হয়েছিল।
তিনি পাঁচ বছরেরও বেশি সময়ের জন্য (১৬০৮-১৬১৩) বাংলার সুবাদার ছিলেন। ছিলেন শায়খ বদরুদ্দিন চিশতির পুত্র ও ফতেহপুর সিক্রির বিখ্যাত বুজুর্গ শায়খ সেলিম চিশতির নাতি। ছিলেন শাহজাদা সেলিম ওরফে সম্রাট জাহাঙ্গীরের শৈশব-যৌবনের ঘনিষ্ঠ সঙ্গী। জাহাঙ্গীর সম্রাট মনোনীত হওয়ার আগে শায়খ সেলিম চিশতির খানকায় অবস্থানকালে তাদের মাঝে এই সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্রাট আকবর শায়খ সেলিম চিশতির এতটাই ভক্ত ছিলেন যে তিনি তার পীরের নামেই পুত্রের নাম রাখেন।
এ শহরের নাম নাকি এসেছে ‘ঢাক্কা’ বা পর্যবেক্ষণ ফাঁড়ি থেকে। অঞ্চলটি চারদিকের নদীনালা, খালবিল ও জলা থেকে উচ্চভূমিতে অবস্থিত ছিল; এখান থেকে প্রতিবেশী অঞ্চল বিক্রমপুর ও সোনারগাঁওয়ের ওপর নজর রাখা হতো, ফলে স্থানটি একটি পর্যবেক্ষণ ঘাঁটিরূপে গড়ে উঠেছিল এবং একসময় নাকি এর নাম হয়ে গিয়েছিল ‘ঢাক্কা’ বা ‘ঢাকা’। সুবা বাংলার রাজধানী রূপে ঢাকার উত্থানের ইতিহাস বাংলার স্বাধীন সুলতানদের রাজধানী সোনারগাঁওয়ের পতনের সঙ্গে জড়িত। সোনারগাঁওয়ের উত্থান বিক্রমপুরের রাজাদের পতনের সঙ্গে জড়িত এবং বিক্রমপুরের রাজাদের পতন বখতিয়ার খিলজির বঙ্গবিজয়ের সঙ্গে জড়িত।
১২০৪ খ্রিষ্টাব্দে বখতিয়ার খিলজি উত্তর বঙ্গ জয় করলে সেন রাজারা লক্ষণাবতী ত্যাগ করে পূর্ববঙ্গের বিক্রমপুরে আশ্রয় নেন এবং ১২৪২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সেখানে কোনোক্রমে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখেন। কিন্তু এই সময়ে সোনারগাঁওয়ে তাদের স্বধর্মীয় প্রতিদ্বন্দ্বী রাজবংশের অভ্যুত্থানের ফলে তাদের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়। একদিকে তুর্কি ও অপরদিকে দেব রাজাদের আক্রমণে পর্যুদস্ত সেন রাজারা ত্রয়োদশ শতাব্দীর সত্তর দশকে লক্ষণাবতী থেকে অগ্রসরমাণ বিজয়ী মুগিসুদ্দিন তুঘরিলের কাছে পরাজিত হন। ত্রয়োদশ শতাব্দীর অষ্টম দশকে দিল্লির সুলতান গিয়াসুদ্দিন বলবনের বংশধরেরা সোনারগাঁও জয় করেন; তখন বঙ্গের রাজধানী উত্তরবঙ্গের লক্ষণাবতীতে অবস্থিত হলেও সোনারগাঁও হয়ে ওঠে দ্বিতীয় রাজধানী। ১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ স্বাধীনতা ঘোষণা করলে সোনারগাঁও রূপান্তরিত হয় এক স্বাধীন রাজ্যের সমৃদ্ধিশালী রাজধানীতে। শুরু হয় বাংলার স্বাধীন সুলতানি আমল আর সোনারগাঁওয়ের স্বর্ণযুগ। এ সময়েই বাংলাদেশের সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাণিজ্য-সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ১৩৫৩ খ্রিষ্টাব্দে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের সিংহাসন অধিকারের মধ্য দিয়ে ইলিয়াসশাহি সুলতানদের আমল আরম্ভ হয়। এ বংশের সুলতান গিয়াসুদ্দিন আজম শাহ (১৩৮৯-১৪০৯) সোনারগাঁও থেকে পারস্যের কবি হাফিজকে বাংলায় আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। প্রায় ২০০ বছর স্বাধীন বাংলার রাজধানীরূপে সোনারগাঁওয়ের গৌরব ছিল অক্ষুণ্ণ। এখান থেকেই ষোড়শ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে ঈসা খান মোগল সম্রাট আকবরের বাহিনীকে প্রতিহত করেছিলেন, কিন্তু তার পুত্র মুসা খান ১৬০৮ খ্রিষ্টাব্দে মোগল সুবাদার ইসলাম খানের কাছে পরাজিত হলে সোনারগাঁও পরিত্যক্ত হয় এবং ঢাকা নতুন মোগল রাজধানী রূপে গড়ে ওঠে।
১৫৭৫ খ্রিষ্টাব্দে সম্রাট আকবর বঙ্গ বিজয় করলেও পূর্ববঙ্গে মোগলরা প্রকৃত অধিকার বিস্তার করতে পারেনি। একের পর এক মোগল সুবাদার ও সেনাপতিকে বারো ভূঁইয়াদের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হতে হয়েছিল। সম্রাট আকবরের রাজত্বকালে মোগল সেনাপতি খান জাহান হোসেন কুলি বেগ, ওয়াজির খান, শাহবাজ খান, বারো ভূঁইয়া, বিশেষত ঈসা খানের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছেন। প্রধানত ঈসা খানকে দমন করার জন্যই সম্রাট আকবর তার বিখ্যাত রাজপুত সেনাপতি রাজা মানসিংহকে সুবা বাংলায় পাঠিয়েছিলেন। ঈসা খান কিশোরগঞ্জের হায়বতনগর এবং জঙ্গলবাড়ীকে কেন্দ্র করে এক বিরাট রাজ্য ও সেনাবাহিনী গড়ে তোলেন। তিনি দেওয়ানবাগ, হাজীগঞ্জ, এগারসিন্দু, শেরপুর প্রভৃতি স্থানে সুরক্ষিত দুর্গ নির্মাণ করেন। ঈসা খানের বিরুদ্ধে রাজা মানসিংহ অভিযান পরিচালনা করেন ঢাকার নিকটস্থ ডেমরায় তার সামরিক শিবির থেকে। কথিত আছে, মানসিংহ ঈসা খানের এগারসিন্দু দুর্গ অবরোধ করেন এবং দিনব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পরেও জয়-পরাজয় অমীমাংসিত থাকে। তখন ঈসা খানের আহ্বানে মানসিংহ তার সঙ্গে দ্বন্দ্বযুদ্ধে অবতীর্ণ হন এবং তাতে মানসিংহ পরাজিত হন। কিন্তু মানসিংহ-পত্নীর অনুরোধে ঈসা খান মানসিংহের সঙ্গে দিল্লি যেতে সম্মত হয়েছিলেন—পরাজিত হয়ে দিল্লি ফিরে গেলে আকবর মানসিংহকে বধ করতে পারেন এই ভয়ে। প্রকাশ থাকে, দিল্লিতে ঈসা খানকে প্রথমে কারারুদ্ধ করা হলেও সম্রাট আকবর তার শৌর্যবীর্য ও মহত্ত্বের কথা শুনে তাকে কারামুক্ত করেন এবং ‘মসনদে আলা’ সম্মানে ভূষিত করে বাংলার ছাব্বিশটি পরগনা দান করেন। ১৫৯৯ খ্রিষ্টাব্দে ঈসা খানের মৃত্যু হয়।
মুসা খানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সুবিধার জন্যই সম্ভবত রাজা মানসিংহ ১৬০২ খ্রিষ্টাব্দে ভাওয়াল গড় থেকে তার সদর দপ্তর ঢাকায় স্থানান্তর করেছিলেন। মানসিংহের দপ্তর ছিল ঢাকা শহরের পশ্চিমাঞ্চলে, এখন যেখানে ঢাকেশ্বরী মন্দির সেই অঞ্চলে। কথিত আছে, বল্লাল সেননির্মিত ওই মন্দিরটি রাজা মানসিংহ সংস্কার করেন; মানসিংহ ১৬০৪ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ঢাকায় ছিলেন। মানসিংহের মোগল সেনাদের বসবাসের স্মৃতিবহ অঞ্চল ‘উর্দু’ বাজার। রাজধানীতে উন্নীত হওয়ার আগে ঢাকা একজন থানাদারের অধীনে একটি থানা ছিল। ‘আইন-ই আকবরি’তে ঢাকার নামে সমগ্র পরগনাটিকে ‘ঢাকাবাজুহা’ নামে উল্লেখ হয়েছে। সম্রাট আকবরের মৃত্যুর পরে ১৬০৫ খ্রিষ্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন সম্রাট জাহাঙ্গীর। তিনি রাজা মানসিংহকে দিল্লিতে ফিরিয়ে নেন এবং ১৬০৬ খ্রিষ্টাব্দে নবাব ইসলাম খানকে বাংলার সুবাদার নিয়োগ করেন। ইসলাম খান এক বিরাট নৌবহর, এক শক্তিশালী অশ্বারোহী ও স্থলবাহিনী নিয়ে রাজমহল আসেন।
রাজমহল থেকে মোগলদের সবচেয়ে বড় শত্রু মুসা খানকে দমনের উদ্দেশ্যে তিনি যুদ্ধযাত্রা করেন।
সুবাদার ইসলাম খান রাজমহল থেকে শাহজাদপুর-সিরাজগঞ্জ হয়ে ইছামতী নদী ধরে ঢাকার দিকে অগ্রসর হন। ঢাকার পথে শীতলক্ষ্যার তীরে কদমরসুল হয়ে ইসলাম খান ডেমরা নদী দিয়ে বুড়িগঙ্গায় প্রবেশ করেন। মোগল নৌবহর প্রথম ডেমরা খালের মুখে অবস্থিত দুর্গটি দখল করে নেয়। পাগলার পুরোনো সেতুর কাছে ছিল দুর্গটি; তারপর মোগল বাহিনী দখল করে দুলাই খালের মুখে অবস্থিত বেগ মুরাদ খান দুর্গ। মিলব্যারাকের কাছে ছিল সেটির অবস্থান। সবশেষে ইসলাম খান দখল করেন এ অঞ্চলের সবচেয়ে সুরক্ষিত ও শক্তিশালী ঢাকা দুর্গ, যেটি ছিল সাবেক সেন্ট্রাল জেল প্রাঙ্গণে। ইসলাম খান ১৬১০ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই, অর্থাৎ শ্রাবণ মাসে ঢাকায় আসেন এবং ঢাকার নতুন নাম দেন জাহাঙ্গীরনগর। ঢাকা সুবা বাংলার রাজধানীতে উন্নীত হয়। ঢাকা মোগলদের আগে একটি ফাঁড়ি ছিল—একজন থানাদারের দপ্তর—তা রূপান্তরিত হয় প্রাচ্যের এক মুখ্য নগরীতে, রূপান্তরিত হয় বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার রাজধানীতে।
সুবাদার ইসলাম খানের ঢাকা শহর গড়ে উঠেছিল ঢাকার পুরোনো দুর্গ বা কেল্লাটিকে কেন্দ্র করে, যেটির অবস্থান ছিল পুরোনো কেন্দ্রীয় জেলখানার ভেতরে। এই কেল্লার দুটি প্রবেশদ্বার ছিল, যার নাম পূর্ব দরওয়াজা ও পশ্চিম দরওয়াজা। দুর্গের মধ্যে একটি টাঁকশাল ছিল। এই দুর্গ ঘিরে গড়ে উঠেছিল বাদশাহি বাজার, যার বর্তমান নাম চকবাজার। পিলখানায় ছিল মোগলদের হাতিশালা আর মাহুতটুলীতে ওইসব হাতির মাহুতরা বসবাস করত। বকশিবাজার ও দেওয়ানবাজার ছিল উজির, দেওয়ান প্রভৃতি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের আবাস। চকবাজারের নিকটবর্তী উর্দু বাজার, গিরদে কেল্লা ও আতশখানা ঢাকায় মোগল আগমন ও মোগল বসতির স্মৃতি বহন করে। ইসলাম খানের সঙ্গে আগত নবাব ও আমিরদের আবাস ছিল নবাবপুরে। ইসলাম খান প্রায়ই ‘চাঁদনী’ ও ‘ফতেদরিয়া’ নামক বজরায় বসবাস করতেন। রাজকীয় বজরা ঘাট ছিল চাঁদনী ঘাট, বিপরীত দিকের জিঞ্জিরা তখন ছোট্ট একটি চর মাত্র। ঢাকা থেকে টঙ্গী হয়ে টোক পর্যন্ত ৫২ মাইল দীর্ঘ একটি সামরিক সড়ক ছিল। টোক থেকে আরেকটি রাজপথ গফরগাঁও-ময়মনসিংহ হয়ে ব্রহ্মপুত্র পেরিয়ে শেরপুরের মধ্য দিয়ে দিনাজপুর ও পূর্ণিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
ইসলাম খানের বংশধরদের কেউ কেউ পরবর্তীকালে ইসলামপুরে বসবাস করেন। এখানে ইসলাম খানের সময়ে নির্মিত একটি সমতল ছাদবিশিষ্ট মসজিদ ও স্মৃতিসৌধ রয়েছে।
ঢাকাকে বাংলার রাজধানী করা ছিল ইসলাম খানের বড় কৃতিত্ব। ইসলাম খান ছিলেন প্রথম সুবাদার, যিনি পূর্ব বাংলার গুরুত্ব উপলব্ধি করেছিলেন। এজন্যই তিনি এ অঞ্চলের কেন্দ্রস্থলে রাজধানী স্থানান্তর করেছিলেন। তিনি প্রশাসনিক ব্যবস্থা সংগঠিত করে সারা দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাকে মোগল সাম্রাজ্যের একজন নির্মাতা এবং বাংলা প্রদেশের শ্রেষ্ঠ সুবাদার বলা হয়ে থাকে। তিনি আকস্মিক মৃত্যুবরণ করেছিলেন। ভাওয়াল অরণ্যে শিকারের সময় ১৬১৩ খ্রিষ্টাব্দের ২১ আগস্ট তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে তাবুতে নিয়ে আসা হয়, কিন্তু সেদিনই তার মৃত্যু হয়। প্রথমে তাকে ঢাকার বাদশাহি বাগে (পুরোনো হাইকোর্ট প্রাঙ্গণ) সমাধিস্থ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীকালে তার শবাধার ফতেহপুর সিক্রিতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তার কীর্তিমান পিতামহ শায়খ সেলিম চিশতির পাশেই তাকে শায়িত করা হয়।
গ্রন্থসূত্র : মোগল রাজধানী ঢাকা, ঢাকাই আসলি, ঢাকার কথা, কালের সাক্ষী ঢাকা, ঢাকার পুরাকীর্তি, ঢাকা পাচাস বারাস পাহলে, আসুদেগানে ঢাকা, কিংবদন্তির ঢাকা, ঢাকার মুসলিম ঐতিহ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও এলাকার ইতিহাস, শতবর্ষে ঢাকা ও উইকিপিডিয়া
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


