আধুনিক সমরাস্ত্রের পাশাপাশি প্রয়োজন পেশাদার ও দক্ষ বাহিনী

আধুনিক সমরাস্ত্রের পাশাপাশি প্রয়োজন পেশাদার ও দক্ষ বাহিনী
ফাইল ছবি

শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাই একটি দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সামাজিক অগ্রগতির মৌলিক ভিত্তি। তবে ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে, শুধু অত্যাধুনিক ও ব্যয়বহুল সামরিক অস্ত্রসম্ভার সংগ্রহ করলেই একটি বাহিনী কার্যকর যুদ্ধশক্তিতে পরিণত হয় না। সীমিত সম্পদ নিয়েও বহু দেশ উন্নত নেতৃত্ব, কঠোর প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা, মনোবল ও কৌশলগত দক্ষতার মাধ্যমে যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছে। আবার বিপরীতভাবে, সংখ্যাগত ও প্রযুক্তিগতভাবে অনেক শক্তিশালী বাহিনীও নেতৃত্বের দুর্বলতা এবং কৌশলগত ব্যর্থতার কারণে পরাজিত হয়েছে।

তাই বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা নীতি তৈরি হওয়া উচিত আধুনিক সমরাস্ত্র সংগ্রহের পাশপাশি বাস্তবসম্মত কৌশলগত পরিকল্পনার ওপর ভিত্তি করে।

বিজ্ঞাপন

গত পাঁচ দশকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অসামান্য অবদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও দক্ষতার এক উজ্জ্বল সুনাম অর্জন করেছে।

‘ফোর্সেস গোল-২০৩০’ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ এরই মধ্যে নতুন যুদ্ধজাহাজ, সাবমেরিন, যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, রাডার ব্যবস্থা, আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, উন্নত কামান, ট্যাংক এবং স্থলবাহিনীর আধুনিক যুদ্ধসরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত করেছে।

তবে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সত্ত্বেও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে এখনো সক্ষমতার ঘাটতি রয়ে গেছে। যেমন— * সমন্বিত আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। দূর দীর্ঘ পাল্লার নজরদারি ব্যবস্থা, সাইবার যুদ্ধ সক্ষমতা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধব্যবস্থা। এছাড়া মহাকাশভিত্তিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নির্ভুল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সক্ষমতা, কৌশলগত লজিস্টিক ব্যবস্থা এবং দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশ।

আঞ্চলিক সামরিক শক্তির সঙ্গে তুলনামূলক মূল্যায়ন

বাংলাদেশ সব প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার নীতি অনুসরণ করে এলেও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন, গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরশাসনের পতন এবং মিয়ানমার থেকে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা শরণার্থীর আগমনের ফলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিবেশ আগের তুলনায় অনেক বেশি জটিল হয়ে উঠেছে। ফলে বাংলাদেশের জন্য প্রতিবেশী দেশগুলোর সামরিক সক্ষমতা গভীরভাবে মূল্যায়ন করে বাস্তবসম্মত প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা গ্রহণ করা অপরিহার্য।

চীন, ভারত, পাকিস্তানের তুলনায় বাংলাদেশের সামরিক শক্তি কোন ‍তুলনায় আসে না। এমনকি দীর্ঘ অস্থিরতার মধ্যেও প্রতিবেশি মিয়ানমার ধারাবাহিকভাব সমর শক্তি বাড়িয়ে চলছে।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ শুধু প্রচলিত সামরিক হুমকির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বর্তমানে অপ্রচলিত ও বহুমাত্রিক হুমকিও ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।সম্ভাব্য হুমকিগুলোর মধ্যে রয়েছে— সীমান্ত বিরোধ ও সামরিক চাপ, সামুদ্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ, হাইব্রিড যুদ্ধ, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর সাইবার আক্রমণ, তথ্যযুদ্ধ ও বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা, অর্থনৈতিক চাপ ও কৌশলগত অবরোধ, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত মানবিক সংকট এবং বঙ্গোপসাগর ও এশিয়া- প্যাসিফিক অঞ্চলে পরাশক্তিগুলোর ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতা।

এখানে উল্লেখ করার অপেক্ষা রাখে না যে, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থলে এবং বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী অবস্থানের কারণে বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে দেশটি পরাশক্তিগুলোর কৌশলগত প্রতিযোগিতার অন্যতম ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে।

বর্তমান যুগে সামরিক আধুনিকীকরণ আর বিলাসিতা নয়, এটি একটি অনিবার্য জাতীয় প্রয়োজন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), স্বয়ংক্রিয় যুদ্ধব্যবস্থা, ড্রোন প্রযুক্তি, সাইবার সক্ষমতা, উপগ্রহভিত্তিক নজরদারি এবং নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি যুদ্ধের চরিত্র আমূল পরিবর্তন করেছে। ভবিষ্যতের যুদ্ধ সংখ্যাগত শক্তির চেয়ে তথ্যগত ও প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের মাধ্যমে নির্ধারিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

অন্যদিকে, সামরিক সংস্কার ও পুনর্গঠন একটি চলমান প্রক্রিয়া। আধুনিকীকরণের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সশস্ত্র বাহিনীর কাঠামো, নীতি, প্রশিক্ষণ এবং পরিচালন ব্যবস্থারও ধারাবাহিক সংস্কার অপরিহার্য। এ লক্ষ্যে কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বেসামরিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি স্থায়ী প্রতিরক্ষা সংস্কার কমিশন গঠন করা যেতে পারে। এই কমিশন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং সম্ভাব্য হুমকি মূল্যায়ন করে সরকারকে সময়োপযোগী সুপারিশ প্রদান করবে।

এর পাশাপাশি আধুনিক সামরিক ব্যবস্থার অনুসরণে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ সচিবালয় (Joint Chiefs Of Staff Secretariat) প্রতিষ্ঠা করা সময়ের দাবি। তিন বাহিনীর মধ্যে জ্যেষ্ঠতম কর্মকর্তাকে এর চেয়ারম্যান করা যেতে পারে। এই সচিবালয় সামরিক প্রশিক্ষণ, যৌথ অভিযান, গোয়েন্দা সমন্বয়, অস্ত্র সংগ্রহ, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং জাতীয় নিরাপত্তা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সরকারের জন্য কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে, যার মাধ্যমে দ্রুত, সমন্বিত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব হবে।

জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ সচিবালয়ের তত্ত্বাবধানে আধুনিকীকরণ শুধু ব্যয়বহুল অস্ত্র কেনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে, নিম্নোক্ত ক্ষেত্রগুলোয় সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজন হয়ে দাঁড়াবে—পেশাগত সামরিক শিক্ষা, যৌথ যুদ্ধনীতি (Joint Operational Doctrine), নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক যুদ্ধ সক্ষমতা, সমন্বিত গোয়েন্দা ব্যবস্থা, পূর্ণাঙ্গ সাইবার কমান্ড, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সক্ষমতা, দেশীয় প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন।

দীর্ঘ মেয়াদে বাংলাদেশের লক্ষ্য হওয়া উচিত— দেশীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন শিল্পপ্রতিষ্ঠা, সামরিক ব‍্যবহারের উদ্দেশ্যে উপগ্রহভিত্তিক সক্ষমতা অর্জন, অত্যাধুনিক সাইবার কমান্ড প্রতিষ্ঠা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সামরিক প্রযুক্তির প্রয়োগ, আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা, অধিক সক্ষম নৌপ্রতিরোধ শক্তি গঠন এবং সমন্বিত যৌথ থিয়েটার কমান্ড প্রতিষ্ঠা।

উপরোক্ত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার উদ্দেশ্য হবে অর্থনৈতিক সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রযুক্তিনির্ভর, আধুনিক এবং আত্মনির্ভরশীল সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা।

বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকীকরণ আকস্মিক বা বিচ্ছিন্নভাবে নয়, বরং সুপরিকল্পিত, পর্যায়ক্রমিক এবং অর্থনৈতিক সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাস্তবায়ন করা উচিত। এ লক্ষ্যে আধুনিকীকরণ কার্যক্রমকে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা যেতে পারেÑ

ক. স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা (১-৫ বছর)

এই পর্যায়ে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত—সৈনিকদের প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন। এছাড়া সীমান্ত নজরদারি আরো শক্তিশালী করা, ড্রোন ও মানববিহীন নজরদারি সক্ষমতা সম্প্রসারণ, যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকীকরণ, লজিস্টিক ব্যবস্থার উন্নয়ন, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে অধিকতর সমন্বয়, সাইবার প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করা এবং বিশেষ অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধি।

খ. মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা (৫-১০ বছর)

এই পর্যায়ে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে নিম্নোক্ত সক্ষমতা অর্জনের দিকে অগ্রসর হতে পারে। স্তরভিত্তিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, আধুনিক সামুদ্রিক নজরদারি ব্যবস্থা, দেশীয় গোলাবারুদ উৎপাদন, প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশ, আধুনিক সামরিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, সমন্বিত কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।

এই পর্যায়ের মূল লক্ষ্য হবে বিদেশিনির্ভরতা হ্রাস করে ধীরে ধীরে আত্মনির্ভরশীল প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তোলা।

গ. দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা (১০-২০ বছর)

দীর্ঘ মেয়াদে বাংলাদেশের লক্ষ্য হওয়া উচিত দেশীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন শিল্পপ্রতিষ্ঠা। এছাড়া সামরিক উদ্দেশ্যে উপগ্রহভিত্তিক সক্ষমতা অর্জন, অত্যাধুনিক সাইবার কমান্ড প্রতিষ্ঠা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সামরিক প্রযুক্তির প্রয়োগ, আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা, অধিক সক্ষম নৌপ্রতিরোধ শক্তি গঠন এবং সমন্বিত যৌথ থিয়েটার কমান্ড প্রতিষ্ঠা।

কোনো রাষ্ট্রই শক্তিশালী অর্থনীতি ছাড়া দীর্ঘ মেয়াদে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী গড়ে তুলতে পারে না।

‘একটি শক্তিশালী অর্থনীতি একটি শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলে; আর একটি শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী সেই অর্থনীতিকে নিরাপত্তা প্রদান করে।’

নাগরিকদের জন্য জাতীয় সামরিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

সর্বজনীন বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগের পরিবর্তে বাংলাদেশ একটি সুপরিকল্পিত জাতীয় প্রতিরক্ষা সেবা কর্মসূচি (National Service Programme) বিবেচনা করতে পারে, যেখানে এর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে— মৌলিক সামরিক প্রশিক্ষণ, দুর্যোগ মোকাবিলা, সিভিল ডিফেন্স, সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা, প্রাথমিক চিকিৎসা, নেতৃত্ব বিকাশ, জাতীয় শৃঙ্খলা ও নাগরিক দায়িত্ববোধ।

দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থলে এবং বঙ্গোপসাগরের কৌশলগত কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ ক্রমেই বৃহৎ শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠছে। এ বাস্তবতায় কোনো একক সামরিক জোটে আবদ্ধ হওয়ার পরিবর্তে ভারসাম্যপূর্ণ ও বহুমাত্রিক প্রতিরক্ষা কৌশল বাংলাদেশের জন‍্য অধিকতর লাভজনক হতে পারে।

সামরিক সংস্কারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো একটি পেশাদার, দক্ষ এবং সংবিধানের প্রতি অবিচলভাবে অনুগত সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা।

তাই বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে অবশ্যই হতে হবে—সম্পূর্ণ রাজনৈতিক নিরপেক্ষ। সংবিধানের প্রতি অবিচলভাবে অনুগত। গণতান্ত্রিক বেসামরিক কর্তৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বসম্পন্ন। মেধা ও যোগ্যতাভিত্তিক। দুর্নীতিমুক্ত। শুধু জাতীয় প্রতিরক্ষায় নিবেদিত।

বর্ণিত লক্ষ্যগুলো অর্জনে সর্বস্তরে পদোন্নতিতে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। কার্যকর ও শক্তিশালী সামরিক বিচারব্যবস্থা। প্রতিরক্ষা ব্যয়ের ওপর সংসদীয় তদারকি। স্বাধীন নিরীক্ষা ব্যবস্থা। আধুনিক সামরিক শিক্ষা। নেতৃত্ব বিকাশের ধারাবাহিক ব্যবস্থা। সামরিক প্রশিক্ষণের প্রতিটি স্তরে নৈতিকতা ও সংবিধান বিষয়ক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা।

একটি কার্যকর ও শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে ওঠে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও দেশপ্রেমিক সদস্য, দূরদর্শী নেতৃত্ব, সুস্পষ্ট সামরিক নীতি, উন্নত প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, প্রাতিষ্ঠানিক সততা এবং সংবিধানের প্রতি অবিচল আনুগত্যের সমন্বয়ে।

উপরোক্ত ভারসাম্য রক্ষা করতে পারলেই বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী আজ, আগামীকাল এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, সংবিধান ও জাতীয় নিরাপত্তার এক নির্ভরযোগ্য রক্ষাকবচ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

লেখক : বীরপ্রতীক

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন