কেন ঢাকার এই বিপর্যয়

কেন ঢাকার এই বিপর্যয়

ঢাকা হতে পারত বিশ্বের অন্যতম সুন্দর একটি শহর। বিশ্ব থেকে মানুষ ঢাকার সৌন্দর্য দেখতে আসত। ঢাকার চারদিকে রয়েছে চারটি বড় নদী। এসব নদী সারা দেশের নদী ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত। বর্তমান ঢাকা শহরের মধ্যে একসময় ছিল অর্ধশতাধিক প্রাকৃতিক খাল। ৩৫০ কিলোমিটারব্যাপী ছিল এই খালের নেটওয়ার্ক। বিশাল এই খালের নেটওয়ার্কই ছিল একসময় ঢাকার প্রধান যোগাযোগমাধ্যম। সে কারণে ঢাকাকে একসময় বলা হতো প্রাচ্যের ভেনিস। ঢাকার এসব খালের অনেকগুলো ঢাকার চারদিকের বড় নদীর সঙ্গে যুক্ত ছিল। ফলে এসব খালের মাধ্যমে বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে, বিশেষ করে যেখানেই নদী যোগাযোগ ব্যবস্থা আছে, সেখানে যাওয়া যেত। খুব বেশিদিন আগের কথা নয়, যখন রামপুরা খালের মাধ্যমে হাতিরঝিল হয়ে সারা দেশের পণ্য আসত ঢাকার আজকের কারওয়ান বাজারে। এখানে ছিল নদীবন্দর। এই বন্দরটি আজকের যেখানে সোনারগাঁও হোটেল অবস্থিত, সেখানেই ছিল। সোনারগাঁও হোটেল এলাকাটি একসময় ছিল ঢাকার নৌবাণিজ্য কেন্দ্র। আজকের হাতিরঝিল একসময় পান্থপথ খাল হয়ে ধানমন্ডি লেকের সঙ্গে যুক্ত ছিল। ধানমন্ডি লেকের পশ্চিমমুখী দুটি শাখা ছিল। একটি শাখা মোহাম্মদপুর, রায়েরবাজার, আমিনবাজার হয়ে পশ্চিমে তুরাগ ও বুড়িগঙ্গা নদীর সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত ছিল।

কিন্তু অতিশয় দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের অদূরদর্শিতা, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, রাজনীতিবিদ, সরকারি নীতিনির্ধারক, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, রিয়েল এস্টেল ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন মহলের সীমাহীন লোভ আর দখলের কারণে ঢাকার নাম আজ বিশ্বের বসবাসের অনুপযুক্ত শহরের তালিকায়। গত আট দশকে রাজধানী ঢাকার ১৪৪ কিলোমিটার খাল হারিয়ে গেছে। দখল হয়ে গেছে অধিকাংশ খাল। সেগুনবাগিচা, পান্থপথসহ অনেক এলাকার প্রাকৃতিকভাবে প্রবহমান অনেক খালের আজ কোনো অস্তিত্বই নেই। অন্যদিকে বুড়িগঙ্গাসহ ঢাকার চারদিকের নদীগুলোও আজ বিপন্ন। সেগুলো এখন উন্মুক্ত ময়লার ড্রেন। হাতিরঝিলকে আমাদের প্রকৌশলীরা উন্মুক্ত ময়লার ড্রেনে পরিণত করেছেন। ইতিহাসের পাতায় ঢাকায় একসময়কার নদী, খালকেন্দ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থা, প্রাকৃতিক পরিবেশের যে বিবরণ পাওয়া যায়, তা এখনকার মানুষ কল্পনাও করতে পারবে না। এমনকি মাত্র ১৫/২০ বছর আগেও ঢাকার পাশে যেসব প্রাকৃতিক জলাশয় থেকে সরাসরি পানি পান করা যেত, সেখানে এখন বহুতল ভবন আর বিশাল সব শহর ও আবাসিক এলাকা।

বিজ্ঞাপন

ঢাকার মধ্যকার খাল, জলাশয় দখলের পর আবাসনের নামে ঢাকার চারপাশের খাল, নদী, বিল, জলাশয়, কৃষিজমি, বনাঞ্চল দখল ও ধ্বংসের এক মহাউৎসব চলছে অনেক বছর ধরে। অপরিকল্পিত, পরিবেশবিনাশী, ধ্বংসাত্মক নগরায়ণ আর দখলের এই উৎসবের কারণে রাজধানী ঢাকা আজ বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখোমুখি। অনেক বছর ধরে টানা বৃষ্টিতে বারবার তলিয়ে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকা। রাজধানী ঢাকার এই চিত্র যেন আমাদের দীর্ঘ শাসন ব্যবস্থার চূড়ান্ত ব্যর্থতার এক দলিল। সময় যত যাচ্ছে, অবস্থার তত অবনতি হচ্ছে। জলাবদ্ধতা নিরসনের নামে প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও পরিস্থিতি উন্নতির পরিবর্তে ক্রমে অবনতিই হচ্ছে। বস্তুত সমস্যার গোড়ায় যত দিন পর্যন্ত হাত দেওয়া না হবে, তত দিন পর্যন্ত জলাবদ্ধতা নিরসনের নামে যতই টাকা ঢালা হোক না কেন, তা এ কাজের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন ছাড়া আর কোনো কাজে আসবে না। প্রতিবছর বন্যার পানিতে ভেসে যাবে, উন্নয়নের নামে ফাঁকা বুলি আর সব আয়োজন।

ঢাকাকে জলাবদ্ধতা থেকে বাঁচানোর উপায় জানার আগে আসুন আরেকটু জেনে নিই কেমন ছিল ঢাকার প্রাকৃতিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা। তাহলেই আমরা বুঝতে জলাবদ্ধতা নিরসনসহ ঢাকাকে পরিবেশসম্মত ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে রাখতে হলে আমাদের কী করা উচিত ।

হাতিরঝিল ও ধানমন্ডি লেকের সঙ্গে সংযোগকারী পান্থপথ খালের যেমন আজ কোনো অস্তিত্ব নেই, তেমনি কোনো অস্তিত্ব নেই সেগুনবাগিচা ধোলাইখাল, কাঁঠালবাগান, মতিঝিল, রায়েরবাজারসহ অনেক খালের। সেগুনবাগিচা এবং পান্থপথ এলাকায় বহমান খালটি ছিল ঢাকার প্রাকৃতিক নিষ্কাশন ব্যবস্থার অন্যতম একটি প্রধান অংশ । ধানমন্ডি লেক থেকে শুরু হয়ে হাতিরঝিল পর্যন্ত যুক্ত থাকায় এটি ঢাকা শহরের পূর্ব ও পশ্চিম অংশের মধ্যে ছিল অন্যতম সংযোগকারী জলপথ । বর্ষাকালে এই খাল ধানমন্ডি লেক এলাকার অতিরিক্ত পানি পান্থপথ খালের মাধ্যমে হাতিরঝিলে নিয়ে আসত এবং পরে তা বেগুনবাড়ী খালে প্রবাহিত হতো। আশির দশক পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই খালটি টিকে ছিল। ১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যার পর ঢাকার পানি নিষ্কাশনের নামে জাইকার সহায়তায় পান্থপথ অংশের খালের ওপর বক্স কালভার্ট নির্মাণ করা হয় এবং পরে এর ওপর রাস্তা তৈরি করা হয়। প্রাকৃতিক সেই খালের ওপর আজ ব্যস্ত রাস্তা, বহুতল ভবন ও বড় বড় শপিং মল । ১৯৬০ থেকে ১৯৮০-এর দশক পর্যন্ত সেগুনবাগিচা এলাকাটি ছিল শান্ত ও জলাশয়-ঘেরা এক সবুজ অঞ্চল। এখানকার মূল খালটি বিজয়নগর পানির ট্যাংক, সেগুনবাগিচা ও আরামবাগ হয়ে গোপীবাগ খালের সঙ্গে যুক্ত ছিল। বর্ষাকালে এই খালে মানুষ মাছ ধরত। আর নৌকার মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা তো ছিলই। ঢাকা ওয়াসা ও সিটি করপোরেশন খালের ওপর বক্স কালভার্ট তৈরি করে রাস্তা বানিয়ে এই খালটিকেও গলা টিপে হত্যা করেছে। একটি দেশে সরকারিভাবে এমন আত্মঘাতী কর্মকাণ্ডের নজির বিশ্বের আর কোথাও আছে কি না, তা গবেষণার বিষয়। খালের ওপর ব্রিজ নির্মাণ না করে বক্স কালভার্ট নামক এমন ধ্বংসাত্মক নীতি আজকের দুনিয়ায় বিরল।

ধোলাইখাল, কাঁঠালবাগান, মতিঝিল, রায়েরবাজারসহ ঢাকার অন্যান্য এলাকার অনেক খাল একসময় ছিল ঢাকা শহরের প্রাকৃতিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার মূল ভিত্তি । অথচ বক্স কালভার্ট, রাস্তা নির্মাণ আর ভবন তৈরির মাধ্যমে আমাদের সরকারি বিভিন্ন সংস্কার প্রকৌশলীরা ধ্বংস করেছেন এই প্রাকৃতিক পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রভাবশালীদের দখল।

ঢাকার প্রাচীন একটি খাল ছিল ধোলাইখাল । এটি বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত ছিল। আশির দশকে বক্স কালভার্ট ও রাস্তা তৈরির মাধ্যমে প্রাচীন এই খালটির বিশাল একটি অংশ পুরোপুরি ভরাট করে ফেলা হয়।

বিজয়নগর পানির ট্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক হয়ে গোপীবাগ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল গোপীবাগ ও আরামবাগ খাল। এই খালটিও ভরাট করে বক্স কালভার্ট ও সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। পুরান ঢাকার নারিন্দা থেকে ধোলাইখাল পর্যন্ত প্রবাহিত নারিন্দা খালেরও এখন আর কোনো অস্তিত্ব নেই। একইভাবে দখলের কারণে হারিয়ে গেছে দয়াগঞ্জ থেকে ডিএনডি নিম্নাঞ্চল পর্যন্ত ধলপুর খাল।

মগবাজার, বাংলামোটর ও শাহবাগ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার ভেতর দিয়ে প্রবাহিত ছিল পরীবাগ খাল। এ খালটিও বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত ছিল। সোনারগাঁও রোড ও আশপাশের অবকাঠামো নির্মাণের ফলে এই খালও বর্তমানে অস্তিত্বহীন। সুলতানগঞ্জ থেকে রায়েরবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল রায়েরবাজার খাল। এই খালটিও সম্পূর্ণ ভরাট করে আবাসন ও রাস্তাঘাট তৈরি করা হয়েছে। এইভাবে আজকের ঢাকা শহরের মধ্যে কত খাল, জলাশয় সম্পূর্ণ অদৃশ্য করে দেওয়া হয়েছে, তার কোনো হিসাব নেই।

বক্স কালভার্টের পরিবর্তে এই খালগুলোর ওপর নির্মিত হতে পারত দৃষ্টিনন্দন ব্রিজ। এই খালগুলো যদি সঠিকভাবে রক্ষা করা যেত, তাহলে আজ ঢাকা শহরে যানজট নিরসনের নাম বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের মেগা প্রকল্প গ্রহণ করতে হতো না। এই খালকে যেমন ব্যবহার করা যেত, যোগাযোগমাধ্যম হিসেবে তেমনি খাল ভূমিকা পালন করত পানি নিষ্কাশনে। একইভাবে এই খালের পানি ব্যবস্থাপনা, খালের দুই পাশে সড়ক ও বনায়নের মাধ্যমে ঢাকার পরিবেশ রক্ষা, সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে অপরিসীম ভূমিকা পালন করত। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো আজ যানজট দূর করার নামে উড়ালসড়কসহ এমনসব ভারী ও বিশাল অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে যে, চাইলেও কোনো দিন আর এসব খাল উদ্ধার করা সম্ভব হবে না। উন্নয়নের নামে এমন ধ্বংসাত্মক, আত্মঘাতী নীতি ও পরিকল্পনা সত্যিই বিশ্বে বিরল।

ঢাকা শহরের মধ্যকার খাল, জলাশয় দখল ও ধ্বংসের পর বিগত কয়েক দশকে ঢাকার চারদিকের অনেক খাল, বিল, নদী, নিম্নাঞ্চল দখল ও ধ্বংস হয়ে গেছে। বর্তমানে ধ্বংসের এই থাবা অতিশয় দ্রুততার সঙ্গে অগ্রসর হচ্ছে ঢাকার চারদিকে। প্রতিবছর ঢাকার চারপাশে একের পর এক প্রাকৃতিক জলাশয়, মাছ ও স্বচ্ছ পানির আধার হারিয়ে যাচ্ছে। এক বছর আগেও যা ছিল প্রাকৃতিক মাছের আধার, সেখানে গড়ে উঠছে বহুতল ভবন। আবাসনের নামে যেভাবে ঢাকার চারদিকের জলাশয় ও কৃষিজমি দখল করা হচ্ছে, তা এক মহাবিপর্যয়েরই আয়োজন তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ঢাকার মধ্যকার খাল ও জলাশয় দখলের কারণে সৃষ্টি বিপর্যয় থেকে কোনো শিক্ষা না নিয়ে ঢাকার চারদিকের জলাশয়, কৃষিজমি, প্রাকৃতিক বনাঞ্চল দখল করা হয়েছে। হাউজিং ও রিয়েল স্টেট ব্যবসার লোভ গিলে খাচ্ছে সবকিছু। অতিশয় দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো রাজউকসহ সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা সরাসরি জড়িত এই আত্মঘাতী ও ধ্বংসাত্মক নীতি, পরিকল্পনা ও কার্যক্রমের সঙ্গে। একটি দেশের সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ইঞ্জিনিয়ারসহ নীতিনির্ধারকরা কীভাবে প্রাকৃতিকভাবে সাজানো একটি শহর ও তার পরিবেশ ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে ফেলতে পারে, ঢাকা তার একটি নজির।

যেসব সরকারি সংস্থার দায়িত্ব ছিল ঢাকা ও তার আশপাশের জলাশয়, খাল, কৃষিজমি, বনাঞ্চল এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষার তারাই যখন এসব ধ্বংসের সিদ্ধান্তের সঙ্গে জড়িত, তাহলে কে ঠেকাবে অবশ্যম্ভাবী মহাবিপর্য়য়? কে ফেরাবে তাদের এই আত্মঘাতী ও ধ্বংসাত্মক পথ থেকে? না কি মহাবিপর্যয় ছাড়া আমরা কোনো শিক্ষা নেব না বলে পণ করেছি? তাই আজ অবিলম্বে উচিত সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়, তথা প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা।

ঢাকাকে অবশ্যম্ভাবী মহাবিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে বর্তমানে আবাসনের নামে ঢাকার চারপাশের জলাশয়, খাল, কৃষিজমি ও বনাঞ্চল ধ্বংসের যে উৎসব চলছে, তা বন্ধ করতে হবে। ঢাকার চারদিকে আর এক ইঞ্চি জলাশয়, নদী, খাল, বিল ও কৃষিজমি যেন আবাসনের নামে দখল ও ধ্বংস করা না হয়, সে বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। একইভাবে কঠোর অবস্থান নিতে হবে ঢাকার মধ্যে এখনো যেসব খাল মৃতপ্রায় অবস্থায় রয়েছে, সেগুলো উদ্ধার করে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার বিষয়ে। ঢাকার চারপাশে যে নদী আছে, এর সঙ্গে যুক্ত করতে হবে ঢাকার সব ড্রেনেজ ব্যবস্থা। বন্ধ করতে হবে অপরিকল্পিত নগরায়ণ। আবাসন, নগরায়ণ ও যানজট দূর করার নামে চলমান আত্মঘাতী সব কার্যক্রম স্থগিত করে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা উচিত। এ মহাপরিকল্পনার কেন্দ্রে থাকতে হবে বিকেন্দ্রীকরণ, যেকোনো মূল্যে ঢাকার খাল রক্ষা ও ঢাকার চারপাশের জলাশয়, কৃষিজমি ও বনাঞ্চল রক্ষা করা। ঢাকাকে রক্ষায় অবিলম্বে এ বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে যেসব একাডেমিক ব্যক্তি, গবেষক, চিন্তাবিদ, পরিকল্পনাবিদ আছেন, তাদের নিয়ে বসা উচিত। তা না হলে শুধু কিছু লোভী মানুষের কারণে একদিন আমাদের হয়তো দলে দলে ঢাকা ছেড়ে পালাতে হবে ।

লেখক : সহকারী সম্পাদক, আমার দেশ

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন