আগামী জাতীয় নির্বাচন কবে হবে, ডিসেম্বর না জুন- তা ক্লিয়ার করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
তিনি বলেন, এক-এগারোর কুশীলবরা এই সরকারের ঘাড়ে চেপে বসেছে এবং বিরাজনীতিকরণের চক্রান্ত করছে বলে আমার ধারণা। তারা সদ্য ভূমিষ্ঠ একটি দলকে গুরুত্ব দিচ্ছে। কিন্তু বিএনপিকে ক্ষমতায় যেতে দেবে না বলে পণ করেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য পাগল নয়। কিন্তু জনগণের ভোটের অধিকার জনগণের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে।
খুলনায় বিএনপির সদস্য নবায়ন ও সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক এই মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার খুলনা প্রেস ক্লাবের ব্যাংকুয়েট হলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি খুলনা বিভাগের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
গয়েশ্বর রায় বলেন, সেনা সদরে সভা হয়েছে, এরপর সেনাপ্রধান কিছু আশঙ্কা প্রকাশ করে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন হতে হবে বলেছেন। তিনি রাষ্ট্র দখল, সরকার দখল, ক্ষমতা দখলের কথা বলেননি।
রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কার সংসদের মাধ্যমে হতে পারে। হাসিনা ১৫ বছর ক্ষমতায় ছিল, তখন তো সেনাবাহিনীকে এভাবে কথা বলতে হয়নি। তিনি বলেন, আগে একরকম ষড়যন্ত্র ছিল, এখন ষড়যন্ত্রের রূপ ভিন্নরকম। ষড়যন্ত্র কিন্তু থেমে নেই। আমরা আগে জাতীয় নির্বাচন চাই, কেউ চায় আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা, বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার আকরাম হোসেন তালিম, সদস্য সচিব মোজাফফর আলম, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমত উল্লাহ পলাশ, যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি সাবিরুল হক সাবু, নড়াইল জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এমএ মজিদ, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার প্রমুখ।
পরে পাঁচজন তরুণ সদস্যের ফরম পূরণের মধ্য দিয়ে খুলনা বিভাগীয় সদস্য নবায়ন ও নতুন সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

