জয়ের পেন্ডুলামটা ঝুলে ছিল প্যারিস সেন্ট জার্মেইনের (পিএসজির) দিকেই। যদিও ইন্টার মিয়ামিতে লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ, সার্জিও বুসকেটস, জর্ডি আলবাদের মতো ফুটবলার থাকায় ভালো একটা লড়াই দেখার অপেক্ষায় ছিল সমর্থকরা। কিন্তু পিএসজির বিপক্ষে কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারেনি মিয়ামি। ক্লাব বিশ্বকাপের শেষ ষোলর ম্যাচে পিএসজির কাছে ৪-০ গোলে হেরেছে তারা। দলের এমন হারে অবাক হননি মেসি। তারকা ফরওয়ার্ডের সরল স্বীকারোক্তি, শক্তিতে পিছিয়ে থাকায় এমন হারই প্রত্যাশিত ছিল তাদের জন্য।
মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধেই সবকটি গোল হজম করে মিয়ামি। ষষ্ঠ মিনিটে জোয়াও নাভাসের কল্যাণে এগিয়ে যায় পিএসজি। ৩৯ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান প্যারিসিয়ানদের এই পর্তুগিজ মিডফিল্ডার। ৪৪ মিনিটে থমাস আভিলেসের আত্মঘাতী গোলে তৃতীয়বারের মতো পিছিয়ে পড়ে মিয়ামি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ফ্লোরিডার ক্লাবটির জালে শেষ পেরেক ঠুঁকেন আশরাফ হাকিমি।
ক্লাব বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়া পর মেসি বলেন, ‘পিএসজিকে নিয়ে নতুনকরে বলার কিছু নেই। তারা দুর্দান্ত একটি দল। চ্যাম্পিয়নস লিগের সবশেষ আসরের শিরোপা জিতেছে। ম্যাচে তারা অসাধারণ ছিল। এটা নিয়ে আর কিছু বলার নেই। সত্যি বলতে ম্যাচটি থেকে আমরা যা আশা করেছিলাম হয়েছেও ঠিক তাই। ম্যাচে আমরা নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টাটাই করেছি। ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপে আমরা নিজেদের ছাপ রেখেছি। এখন পরবর্তী টুর্নামেন্ট নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে।’
মেসি আরও বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য ছিল প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ ফুটবল খেলা। আমি জানি না মানুষ আমাদের কাছ থেকে এই ধরনের পারফরম্যান্স আশা করেছিল কিনা। নাকি আরও কম আশা করেছিল। কারণ আমরা কিভাবে ক্লাব বিশ্বকাপে এসেছি এবং কোন গ্রুপে পড়েছিলা, সেটা সবাই দেখেছে।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

