
বাঁশখালীর ১২১ আশ্রয়কেন্দ্রের ১৯টি নদীগর্ভে
চট্টগ্রামের বাঁশখালীর ১২১টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে ২৮টিই ঝুঁকিপূর্ণ এবং নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে ১৯টি। জনসংখ্যার তুলনায় কম হওয়ায় আরো নতুন আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন জরুরি হয়ে পড়েছে।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর ১২১টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে ২৮টিই ঝুঁকিপূর্ণ এবং নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে ১৯টি। জনসংখ্যার তুলনায় কম হওয়ায় আরো নতুন আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন জরুরি হয়ে পড়েছে।

আজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল। ১৯৯১ সালের আজকের এই দিনে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে লন্ডভন্ড হয়েছিল দেশের বিস্তীর্ণ উপকূল। প্রাণ হারিয়েছিল ২ লাখের বেশি মানুষ। নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল শত শত পরিবার।

টানা তাপপ্রবাহ প্রশমিত হয়ে দেশজুড়ে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে আবহাওয়া অধিদপ্তর ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি, পাহাড়ি এলাকা ভূমিধ্বস, কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাত, সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর এবং নৌবন্দরসমূহে দুই নম্বর সতর্কবার্তা জারি করেছে। এ অবস্থা কয়েকদিন থাকতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। দেশের আ

চরম দুর্ভোগে শতাধিক পরিবার
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী ইউনিয়নের চর বাগডহরা এলাকায় ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র শিলাবৃষ্টিতে অন্তত শতাধিক ঘরবাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আকস্মিক এ প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডে। এতে শতাধিক পরিবার বর্তমানে চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে।




ধেয়ে যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহ








কালমেগির আঘাত







ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে রাজধানীতে বৃষ্টি
