গাজায় ইসরাইলের হামলায় কমপক্ষে ২৩ জন নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে ছয়জন ত্রাণ শিবিরে সাহায্য আনতে গিয়ে নিহত হন। বার্তা সংস্থা আনাদোলু ‘র বরাত দিয়ে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন জানায়, বৃহস্পতিবার ভোর থেকে চালানো হামলায় তাদের মৃত্যু হয়।
এরআগে বুধবার ইসরাইলি বিমান হামলায় পরিবারের সাত সদস্যসহ গাজার একটি হাসপাতালের পরিচালক ড. মারওয়ান সুলতান নিহত হয়েছেন। গাজা সিটির উত্তরাঞ্চলে হামলায় পরিবারের সদস্যসহ নিহত তিনি।
ইন্দোনেশিয়ান হাসপাতালের পরিচালক ড. মারওয়ান সুলতান দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসা পেশার সাথে যুক্ত ছিলেন।
এই ঘটনাকে গাজার ‘চিকিৎসা কর্মীদের বিরুদ্ধে নৃশংস অপরাধ’ উল্লেখ করে এর নিন্দা জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
এদিকে, অবরুদ্ধ পশ্চিমতীরে ইহুদী অবৈধ বসতি স্থাপনকারীরা জেরিকো শহরের কাছে একমাসে ছয়টি ফাঁড়ি স্থাপন করেছে। সেইসঙ্গে ইহৃদীরা স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘরেও হামলা চালায়।
আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পশ্চিম তীরে ইসরাইলের বসতি স্থাপন অবৈধ।
এরআগে, মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, গাজায় ৬০ দিনের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রয়োজনীয় শর্তে রাজি হয়েছে ইসরাইল। এই অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চলাকালীন স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে উভয় পক্ষের সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে, হামাস যুদ্ধবিরতিতে রাজি না হলে গাজাকে ‘ধুলায় পরিণত’ করার হুমকি দিয়েছে ইসরাইল। যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক অ্যাক্সিওস নিউজ আউটলেট জানায়, ইসরাইলি কর্মকর্তারা সতর্ক করে দিয়েছেন যে যুদ্ধবিরতি এবং বন্দী বিনিময় চুক্তির আলোচনা শিগগিরই এগিয়ে না গেলে, দেশটির সেনাবাহিনী গাজায় তাদের অভিযান আরো তীব্র করবে।
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন



