তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় তিন দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে নিয়মিত সমন্বয় ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।
তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চুক্তির অধীনে স্থল, নৌ ও বিমানবাহিনীর পাশাপাশি আকাশ প্রতিরক্ষা ও ড্রোন ব্যবস্থায় যৌথ সামরিক মহড়া হবে। প্রতিরক্ষা শিল্পে যৌথ উন্নয়ন ও উৎপাদন, প্রযুক্তি বিনিময় এবং রক্ষণাবেক্ষণ ও লজিস্টিক সহযোগিতাও বাড়ানো হবে। বিশেষ গুরুত্ব পাবে ড্রোন ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।
গত ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে—যা ন্যাটোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা নীতির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তুরস্ক জানিয়েছে, চুক্তিটি অন্য দেশগুলোর জন্যও উন্মুক্ত ও বিদ্যমান কোনো জোটের বিকল্প নয়।
এদিকে, লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচল সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক জোট গঠনের উদ্যোগেও তুরস্ক অংশ নিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় গাজা ও লেবাননে ইসরাইলের সামরিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক মূল্যবোধ রক্ষায় আরও কঠোর ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

