দেশের কওমি ধারার সাতটি ইসলামি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ঐক্য গড়ে তুলতে তৎপরতা চালাচ্ছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। গত দুই মাস আগে শুরু হওয়া এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের লিখিত মতামত বা প্রস্তাব নিয়ে সমন্বিত একটি রূপরেখার খসড়া করেছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। এ নিয়ে শিগগির হেফাজত আমিরের সঙ্গে বৈঠক এবং পরবর্তী সময়ে সাত দলের নেতাদের মতামত নিয় চূড়ান্ত করা হবে। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আদর্শের ভিত্তিতে জোটটির স্থায়ী রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা উদ্যোক্তাদের। চলতি মাসেই এটি চূড়ান্ত করার আভাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে প্রস্তাবিত সাত দলের ঐক্যে অন্য কোনো জোট বা ঐক্যের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা-না রাখা নিয়ে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। উদ্যোক্তা মহলসহ অধিকাংশ দল চাইছে, নতুন ঐক্য হলে অন্য কোনো জোটের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার সুযোগ থাকবে না। সমন্বিত রূপরেখাটি সেভাবেই প্রস্তুত করা হচ্ছে। তবে কয়েকটি দলের মত হলো—আগের সমমনা ইসলামি দলের মতো সাত দলের ঐক্য হলেও রাজনৈতিক বা নির্বাচনসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সিদ্ধান্ত তাদের এখতিয়ারে রাখতে হবে। এ বিষয়ে কোনো হস্তক্ষেপ করা যাবে না। ফলে নতুন ঐক্যের এ উদ্যোগ কত দূর গড়াবে, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
কারণ গত জাতীয় নির্বাচনের আগেও এ ধরনের একটি ঐক্য প্রক্রিয়া শেষ পর্যন্ত ভেস্তে যায়। নতুন করে ১১ দলীয় ঐক্য থেকে কওমিপন্থি দলগুলোকে বের করে আনতেই এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে কেউ কেউ মনে করছেন। যদিও হেফাজতের পক্ষ থেকে বলা হয়, কওমি ও দেওবন্দিদের এক হয়ে কাজ করার জন্যই এ ঐক্যের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
হেফাজতের ঐক্য প্রক্রিয়ায় থাকা ইসলামি দলগুলো হচ্ছে—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি।
সূত্রমতে, পতিত আওয়ামী সরকারের সময় দমন-পীড়নের মুখে পড়ে অধিকাংশ ইসলামি দল। গ্রেপ্তার-নির্যাতের শিকার হন অনেকে। চব্বিশের বিপ্লবে ফ্যাসিবাদের পতনের পর ইসলামি দলগুলোতে নতুন গতি আসে। একপর্যায়ে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে সমমনা পাঁচটি ইসলামি দলের ঐক্য প্রক্রিয়া শুরু হয়। পরে জামায়াতে ইসলামীকে ঘিরে বৃহত্তর নির্বাচনি ঐক্য গড়ে উঠলে সেখান থেকে প্রথমে পিছুটান দেয় জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম আর নির্বাচনের আগমুহূর্তে সরে পড়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বাকিদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন ও নেজামে ইসলাম পার্টিসহ সমমনা আরো ছয়টি দল নিয়ে গড়ে ওঠে ১১ দলীয় ঐক্য।
নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিলেও শেষ পর্যন্ত তারা সংসদে ৯০ আসন নিয়ে (সংরক্ষিত ১৩টি আসনসহ) বিরোধী দল হিসেবে স্থান পেয়েছে। যদিও নির্বাচনের পর খেলাফত মজলিস ও খেলাফত আন্দোলন এ ঐক্য থেকে সরে পড়েছে।
অন্যদিকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা করে চারটি আসনে নির্বাচন করলেও কোনোটিতে জয় পায়নি। এতে দলটির মধ্যে বেশ হতাশা দেখা দেয়। তাছাড়া কওমিপন্থি চারটি দল ১১ দলীয় ঐক্যে ও একটি বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা করায় হেফাজতে ইসলামের অনুসারীদের মধ্যে বেশ অসন্তোষ ও বিভক্তি দেখা দেয়। বিশেষ করে হেফাজতের আমিরসহ অনেকে ১১ দলীয় ঐক্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বিএনপির পক্ষে নির্বাচনি প্রচার চালানোর কারণে অস্বস্তি আরো বেড়ে যায়।
এ উদ্যোগ হেফাজতের
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ঘিরে কওমি অনুসারীদের মধ্যে বিভক্তি নিয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি কাটাতে আনুষ্ঠানিক তৎপরতা শুরু হয় গত এপ্রিলে। একপর্যায়ে ২৮ এপ্রিল হেফাজত আমির আল্লামা শাহ মহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। তারা বলেন, হেফাজতের কিছু নেতা নানা দলে সম্পৃক্ত হওয়ায় সাধারণ মানুষের কাছে সংগঠনের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ছে, এর দ্রুত সমাধান প্রয়োজন। সেখান থেকে হেফাজত আমির সিদ্ধান্ত দেন, ১১ দলীয় ঐক্যে অংশগ্রহণকারী নেতাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সুষ্ঠু সমাধান করতে হবে। সে অনুযায়ী তৎপরতা চলে।
পরে গত ১৬ জুলাই হেফাজত আমিরের আহ্বানে চট্টগ্রামের একটি মাদরাসায় নিবন্ধিত সাত ইসলামি দলের নেতাদের নিয়ে বৈঠক হয়। এতে হেফাজত ছাড়াও আলোচিত দলগুলোর শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ বৈঠকে ঐক্যবদ্ধভাবে পথচলার বিষয়ে ঐকমত্য হয় দলগুলো। সে অনুযায়ী, নতুন ঐক্যের রূপরেখা প্রস্তাব করার জন্য ৩ আগস্ট সময় নির্ধারণ এবং এ নিয়ে পর্যালোচনার জন্য হেফাজত নেতাদের সমন্বয়ে সাত সদস্যের একটি সাব কমিটি গঠন করা হয়। সে অনুযায়ী, ইতোমধ্যে সব দল তাদের মতামত লিখিতভাবে জানিয়েছে।
ঐক্যের সমন্বিত রূপরেখা প্রস্তুত
কওমি ধারার সাত ইসলামি দলের ঐক্যের জন্য প্রাপ্ত মতামত পর্যালোচনা করেছে হেফাজতে ইসলাম গঠিত সাব কমিটি। গত ১ সেপ্টেম্বর হাটহাজারী মাদরাসায় এ বিষয়ে বৈঠকও হয়। এ প্রসঙ্গে হেফাজতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাব কমিটির সদস্য মুফতি বশির উল্লাহ বলেন, সব দলের কাছ থেকে পাওয়া মতামত সমন্বয় করে একটি রূপরেখা প্রস্তুত করা হয়েছে। এটি নিয়ে হেফাজত আমিরের সঙ্গে সাব কমিটির সদস্যদের একটি বৈঠক হবে। পরে সব দলের নেতাদের সামনে রূপরেখাটি উপস্থাপন করে, তাদের মতামতের ভিত্তিতে তা চূড়ান্ত করা হবে।
হেফাজত মহাসচিব অসুস্থ হয়ে চিকিৎসার জন্য বিদেশে থাকায় বৈঠকে বিলম্ব হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, মহাসচিব দেশে এসেছেন। আগামী সপ্তাহে বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে।
হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, সাত ইসলামি দলের ঐক্য নিয়ে হেফাজতে ইসলামের সাব কমিটি কয়েকবার বৈঠকে বসেছেন। তারা সমন্বিত একটি খসড়া রূপরেখাও প্রস্তুত করেন। এ বিষয়ে হেফাজত আমিরের সঙ্গে বসে চূড়ান্ত করার পর সব দলের নেতাদের সঙ্গে বসবেন। এ মাসের মধ্যেই এটি চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, অন্য জোটে থাকা-না থাকার সুযোগের বিষয়টি এখনই বলা যাচ্ছে না।
কেন ঐক্য, রূপরেখায় কী থাকছে
হেফাজতের উদ্যোগে সাত দলের ঐক্য প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি বশির উল্লাহ বলেন, হেফাজতে ইসলাম অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবেই তাদের ইসলামি ও দেশীয় ইস্যুগুলো নিয়ে সক্রিয় থাকবে। অন্যদিকে কওমি ও দেওবন্দিরা যাতে এক হয়ে কাজ করতে পারে, সেজন্য নতুন ঐক্যের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটা ইসলাম ও আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আদর্শ রক্ষার জন্য, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য কোনো জোট নয়। তবে আগামী দিনে যেহেতু স্থানীয় নির্বাচন আসছে, তাই সমন্বয় থাকলে এ নির্বাচনে পরনির্ভরশীল হওয়া লাগবে না। আমাদের স্বনির্ভরতা আসবে। সাত দল একসঙ্গে নির্বাচন করতে পারবে। এটা টেকসই হলে পরবর্তী সময়ে জাতীয় নির্বাচনের বিষয়েও চিন্তা করা যাবে।
তিনি বলেন, নতুন ঐক্য হলে কেউ বিএনপি, জামায়াত বা অন্য জোটে থাকতে পারবে না। দুই জোটে থাকার সুযোগ রাখার বিষয়ে প্রস্তাব আছে, তবে এটি সম্ভব হবে না।
সাত দলের নেতাদের বক্তব্য
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আব্দুল কাইয়ুম জানান, আমরা ঐক্য প্রক্রিয়ার সঙ্গে আছি, এ উদ্যোগের সঙ্গে আছি। এ বিষয়ে সাত দলের আলাদা মতামত নেওয়া হয়েছে। আমরা মতামত জানিয়ে বলেছি, সাত দলের ঐক্য হলে অন্য জোটে থাকা যাবে না, যেকোনো একটিতে থাকতে হবে। রাজনৈতিক বা নির্বাচনকেন্দ্রিক এ জোট হলে ভালো হবে। আগামী দিনে এ নিয়ে বৈঠক হলে ঐক্যের বিষয় বিস্তারিত বোঝা যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ বিষয়ে সম্প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের কার্যক্রম থেকে বের হয়ে আসা খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, আমাদের যে ঐক্যের কথা বলা হয়েছে, আগেও সে ধরনের ঐক্যে ছিলাম। কোনো জোটের কথা বলা হয়নি। আমরা বলেছি, রাজনৈতিক ঐক্য হতে হলে জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করার পক্ষে থাকতে হবে। তবে আমরা আপাতত নিজেদের মতো কাজ করছি। ঐক্য হলে একটিতেই থাকতে চাই।
দলটির যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আব্দুল জলিল জানান, সাত দলের ঐক্য এখনো কোনো পর্যায়ে আসেনি। অন্য জোটে থাকার সুযোগ নিয়েও কোনো কথা বলিনি। তবে আমরা প্রথমেই উল্লেখ করেছি, দলগুলোর মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করতে হবে।
১১ দলীয় ঐক্যের শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাত দলের ঐক্যের বিষয়ে আমরা প্রস্তাব দিয়েছি। সাব কমিটি সর্বশেষ কী করেছে, তা জানি না। তিনি বলেন আমরা বলেছি, ইসলাম ও দেশের নানা ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করতে পারি। আগে যেভাবে সমমনা ইসলামি দলের ব্যানারে হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রত্যেক দল তাদের রাজনৈতিক ও নির্বাচনি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার থাকবে।
তিনি বলেন, অন্য জোটে থাকার সুযোগ না রাখার সঙ্গে আমরা একমত নই। ১১ দলীয় ঐক্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আপাতত আমরা এর ওপর আছি। তাদের প্রস্তাব দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে স্থানীয় নির্বাচন নতুন ঐক্যের সঙ্গে হতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, জামায়াত, এনসিপিসহ ১১ দলের অন্যরা এ নির্বাচন নিজেদের মতো করছে। তাই সাত দল একসঙ্গে করলে কোনো সমস্যা নেই। এটা তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তের বিষয়।
বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা করে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়া জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেন, সাত দলের ঐক্য বিষয়ে আমরা প্রস্তাবনা জমা দিয়েছি। পরবর্তী কোনো বৈঠক হয়নি। তিনি বলেন, এতে দেশ-জাতি ও ইসলামের স্বার্থে রাজনৈতিক ও নির্বাচনকেন্দ্রিক ঐক্য থাকবে। তবে অন্য কোনো জোটে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে তো আমাদের স্বকীয়তা থাকে না। আমাদের আলাদা রূপেই থাকা উচিত। অন্য কোনো জোটের সঙ্গে যুক্ত থাকার সুযোগ রাখা উচিত হবে না। তা না হলে যে যার মতো চলবে।
ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজী বলেন, নতুন এ ঐক্য হবে আদর্শভিত্তিক। এটা সুনির্দিষ্ট কোনো নির্বাচন বা কর্মসূচির ভিত্তিতে হবে না। এতে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা থাকবে। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আদর্শের ভিত্তিতে এ ঐক্য দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে আশা করি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আদর্শভিত্তিক ঐক্য হলে এর বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন বা সুযোগ নেই। স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে নতুন জোটে কোনো আলোচনা নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী বলেন, সাত দলের ঐক্য আহ্বানকারী ও এতে অংশগ্রহণে আগ্রহী অধিকাংশ দলের মত হলো—ডান-বামপন্থিদের বাইরে যারা ইসলাম কায়েমের পক্ষে, তাদের নিয়ে স্বতন্ত্র ধারার ইসলামি ঐক্য হোক আর স্বতন্ত্র ঐক্য হলে অন্য কোনো জোটে থাকার সুযোগ থাকবে না। কারণ দুই নৌকায় পা দিলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। আমরাও এ ধরনের মতামত দিয়েছি।
বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুফতি মুসা বিন ইযহার বলেন, এর আগে সমমনা ইসলামি দলগুলোর যেভাবে ঐক্য হয়েছিল, আমরা সে আদলে ঐক্যের কথা বলেছি। লিয়াজোঁ কমিটির মাধ্যমে এ ঐক্যের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। তবে বর্তমানে যে যেখানে আছে, সে সেখানেই থাকবে, অর্থাৎ আপাতত অন্য জোটে থাকার পক্ষে আমরা। তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের বিষয় নিয়ে এখনো কোনো মত দিইনি। পরিস্থিতি বুঝে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।