হোম > আমার দেশ স্পেশাল > বিশেষ প্রতিবেদন

সরকার ‘ঐতিহাসিক অর্জন’ বললেও অন্ধকারে মন্ত্রণালয়

পীর জুবায়ের

মালয়েশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম বড় শ্রমবাজার। তবে গত এক দশকে এটি নানা কারণে বারবার বন্ধ হয়েছে। সর্বশেষ বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২৪ সালের মে’তে বাজারটি বন্ধ করে দেয় মালয়েশিয়া সরকার। এরপর রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নানা চেষ্টা তদবির করেও এটিকে আর চালু করা যায়নি। এর নেপথ্যে ছিল সিন্ডিকেট, অতিরিক্ত ব্যয় ও চাকরির নামে প্রতারণা ।

বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর শ্রমবাজারটি পুনরায় খুলেছে। এটিকে ‘ঐতিহাসিক অর্জন’ দাবি করলেও এ নিয়ে অন্ধকারে রয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, রিক্রুটিং এজেন্সিসহ সংশ্লিষ্টরা।

চলতি মাসে মালয়েশিয়ার বাজার খুলবে—সরকার এমন দাবি করলেও ২৫টি মূল এজেন্সির অধীনে থাকা ১০টি করে সহযোগী এজেন্সির ভূমিকা কী? তারা কি সরাসরি ডিমান্ড আনতে ও কর্মী পাঠাতে পারবে? নাকি ২৫ এজেন্সির সহযোগী এজেন্ট হিসেবে কাজ করবে—এসব নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে মন্ত্রণালয়ের ভেতরেই।

এছাড়া আগামী তিন মাসের মধ্যে বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল) এর মাধ্যমে বিনা খরচে দেশটিতে ১০ হাজার শ্রমিক পাঠানো হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। তবে এ প্রসঙ্গে কোনো প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে তাও বলতে পারেনি বোয়েসেল।

সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাশেদুল হক বলেন, মালয়েশিয়ার বিষয়টি এখনো সুরাহা হয়নি। এটা কখন শুরু হবে, কী হবে—আমরা কিছুই জানি না। আমরা শুধু পত্রপত্রিকায় আপনাদের মতো দেখি এটা হচ্ছে, ওটা হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলা প্রসঙ্গে তারা অন্ধকারে। কী হচ্ছে বা এখন পর্যন্ত যা হয়েছে তারা কেবল পত্রিকার পাতায় ও টেলিভিশনের পর্দায় দেখে জেনেছেন। এছাড়া, কী প্রক্রিয়ায় কতজন লোক যাবেন এ বিষয়েও আলাদা করে তারা কিছুই জানেন না এবং প্রস্তুতি নিয়ে তাদেরকে কোনো নির্দেশনাও দেওয়া হয়নি।

গত ২৮ আগস্ট মালয়েশিয়ার বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম এফডব্লিউসিএমএসে ৩৩৮টি বাংলাদেশি এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করা হয়। এর আগে ২১ আগস্ট ২৫টি এজেন্সির তালিকা প্রকাশের পর ‘সিন্ডিকেট’ করার অভিযোগ ওঠে। সরকারের অনুরোধের পর ২৫টি প্রধান এজেন্সির অধীনে ২৫০টি এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান বোয়েসেলের অধীনে ৬২টি— মোট ৩১২টি এজেন্সিকে ‘সহযোগী এজেন্সি’ হিসেবে যুক্ত করে তালিকাটি ৩৩৮টিতে নেওয়া হয়। তবে আগে রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা নিয়ে লুকোচুরি থাকলেও এবার ৩৩৮টি এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, তালিকায় থাকা অনেক এজেন্সির বিদেশে কর্মী পাঠানোর বাস্তব অভিজ্ঞতা নেই। এমনকি লাইসেন্স পাওয়ার পর একজন কর্মীও পাঠায়নি—এমন প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, পুরোনো সিন্ডিকেটই নতুন মোড়কে বৈধতা পেতে যাচ্ছে।

তবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বলছে, বিদ্যমান সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচনে বাংলাদেশের সরকারের হাত নেই। কারণ, এ চুক্তির শর্ত আওয়ামী লীগ সরকার তৈরি করে গেছে।

তথ্যানুযায়ী, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ২০০৮ সালে বন্ধ হওয়ার আট বছর পর ২০১৬ সালে আবার চালু হয়। এরপর দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়া বন্ধ করে দেয় দেশটি। ২০২১ সালের ১৮ ডিসেম্বর নতুন সমঝোতা চুক্তির পর তিন বছর পর বাজারটি পুনরায় খোলে। পরবর্তীতে ২০২২ সালের আগস্টে বাংলাদেশি কর্মীরা মালয়েশিয়া যেতে শুরু করেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১ জুন আবার বন্ধ হয়ে যায় এই শ্রমবাজার।

২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ১০টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে সব কর্মী নিয়োগের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সরকার নির্ধারিত খরচ ৩৩ হাজার ৩৭৫ টাকা হলেও কর্মীদের কাছ থেকে দুই থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা নেওয়া হয়। ওই সময়ে প্রায় পাঁচ হাজার ৫০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

এরপর প্রায় চার বছর বন্ধ থাকার পর ২০২২ সালে বাজারটি আবার খুললেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়। প্রথমে ২৫ ও পরে ১০০টি এজেন্সিকে কাজ দেওয়া হয়। বাংলাদেশে দুই হাজারের বেশি বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি থাকলেও বাকিরা সরাসরি কাজের সুযোগ পেত না। তাদের চাহিদাপত্র ওই ১০১টি এজেন্সির মাধ্যমে ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এফডব্লিউসিএমএস) এ প্রসেস করতে হতো। এর মাধ্যমেই মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ করা হয়। এই চক্রের পেছনে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দাতো সেরি আবদুল আমিনের প্রতিষ্ঠান সিনারফ্ল্যাক্স ও বেস্টিনেটের নাম বারবার এসেছে।

জনশক্তি রফতানির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানান, এফডব্লিউসিএমএসে ২৫টি মূল এজেন্সি, তাদের অধীনে ১০টি করে ২৫০টি এবং বোয়েসেলের অধীনে ৬২টিসহ মোট ৩৩৮টি এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো, এই ৩৩৮টি এজেন্সি সরাসরি কাজ করতে পারবে কি না। অতীতেও প্রায় এক হাজার ৪০০ এজেন্সি এফডব্লিউসিএমএসে তালিকাভুক্ত ছিল। কিন্তু সরাসরি কর্মী পাঠানোর সুযোগ পেয়েছিল প্রথমে ১০টি, পরে ২৫টি ও ১০০টি এজেন্সি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ৩৩৮ এজেন্সির একটি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী আমার দেশকে বলেন, সহযোগী এজেন্সি হিসেবে যাদেরকে তালিকায় রাখা হয়েছে তারা কোন প্রক্রিয়ায় কাজ করবে তা কিছুই জানানো হয়নি। বিষয়টি নিয়ে আমরাও ধোঁয়াশার মধ্যে। আসলে কিছুই বুঝতে পারছি না। তালিকাভুক্ত মূল ২৫ এজেন্সির মধ্যে অনেকেরই মালয়েশিয়ায় লোক পাঠানোর অভিজ্ঞতা নেই। এখন কীভাবে কী হবে, সেটি অস্পষ্ট।

এ বিষয়ে জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলাম বলেন, মালয়েশিয়া শ্রমবাজার নিয়ে ২৫ এজেন্সির যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে এটি সিন্ডিকেট। মূলত আগের সিন্ডিকেট নতুন মোড়কে আসছে। আর যেসব এজেন্সিকে সহযোগী হিসেবে রাখা হয়েছে এগুলো আইওয়াশ। তারা সরাসরি কোনো কাজ করতে পারবে না। ওই ২৫টির অধীনে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, এতে কর্মীর খরচও বাড়বে। আগে একজন কর্মী মালয়েশিয়া যেতে ৪-৫ লাখ টাকা খরচ করলেও এখন ৭-৮ লাখ টাকা হবে। কারণ মূল ২৫ এজেন্সির ছাড়া কর্মী পাঠানো যাবে না, সহযোগী এজেন্সিগুলো তাদেরকেও টাকা দিতে হবে।

ফখরুল ইসলাম বলেন, যেসব এজেন্সিকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে তাদের বেশিরভাগই মালয়েশিয়া শ্রমিক পাঠানোর অভিজ্ঞতা নেই। বাংলাদেশের কোন এজেন্সি কেমন তা মালয়েশিয়া জানবে কীভাবে? তাদের যাছাইয়ের এখতিয়ারও নেই। এছাড়া, বাছাই কীভাবে হলো কেউই জানে না। মূলত আগের বিতর্কিত ও প্রভাবশালী সিন্ডিকেট তাদের পছন্দের যে নামগুলো দিয়েছে সেগুলোকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। সুতরাং সিন্ডিকেটের হাতে বাজারটি জিম্মি না রেখে আমরা চাই মালয়েশিয়া শ্রমবাজার সব বৈধ রিক্রুর্টিং এজেন্সির জন্য উন্মুক্ত করা হোক।

ঐতিহাসিক অর্জন- বলছে সরকার

মালয়েশিয়া শ্রমবাজার প্রসঙ্গে ২৮ আগস্ট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারর আমলের দুর্নীতি, দুঃশাসন, সিন্ডিকেট ও অনিয়মের কারণে বন্ধ থাকা শ্রমবাজারকে অগ্রাধিকার দিয়ে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হচ্ছে।

এই বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ে একাধিক বৈঠকের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও রাজা সুলতান ইব্রাহিম ইস্কান্দারের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। বাংলাদেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে এই সরাসরি বৈঠক ও আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শ্রমবাজার উন্মুক্তকরণের ঐতিহাসিক ও বিশাল সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

গত ছয় মাস ধরে বাংলাদেশ সরকারের ধারাবাহিক অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ বিবেচনায় মালয়েশিয়া বাংলাদেশকে একটি বিশেষ সুযোগ দিয়েছে। মালয়েশিয়া তাদের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৫টি বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সিকে সরাসরি নির্বাচিত করেছে। বাংলাদেশের অবস্থানকে সম্মান জানিয়ে আরো ৩১২ এজেন্সিকে অ্যাসোসিয়েট রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি হিসেবে কর্মী প্রেরণের সুযোগ দিচ্ছে। পাশাপাশি বোয়েসেলও এই প্রক্রিয়ায় কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে।

সরকারের ভাষ্য, বিদ্যমান বহুবিধ নিয়মতান্ত্রিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও একযোগে বাংলাদেশের ৩৩৮টি রিক্রুটমেন্ট এজেন্সির মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে কর্মী প্রেরণের সুযোগ একটি ঐতিহাসিক অর্জন।

সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, এজেন্সি যাচাই-বাছাইয়ের কাজটি করেছে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত উচ্চপর্যায়ের যৌথ কমিটি। অতীতে এ ধরনের রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যাচাই-বাছাইয়ের কোনো নজির ছিল না। এই বাছাই প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ সরকারের ন্যূনতম সংশ্লিষ্টতা নেই।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞের মত

অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর আমার দেশকে বলেন, মালয়েশিয়া শ্রমবাজার নিয়ে যা হচ্ছে তাতে বোঝা যাচ্ছে যেভাবেই হোক কর্মী পাঠানো শুরু করতে হবে। ফলে প্রক্রিয়াটি (সিন্ডিকেট) আগের মতোই হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন হয়নি। আসলে এটা সমাধান নয়।

তিনি বলেন, মালয়েশিয়া কর্মী পাঠানো নিয়ে অতীতের অভিজ্ঞতা ভালো নয়। এখন যে ২৫ এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানো হবে সেগুলোর নাম সম্পর্কে সরকারের পক্ষ থেকে সবাইকে অবগত করতে হবে। এছাড়া সরকার এই এজেন্সিগুলোর অতীত নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করতে পারে। সেই প্রতিবেদনে যদি কোনো এজেন্সির সমস্যা পাওয়া যায় তাহলে তা মালয়েশিয়া সরকারকে অবগত করতে হবে তারা যেন এটিকে তালিকা থেকে বাদ দেয়। তা না হলে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের সঙ্গে অতীতের মতো কিছু ঘটলে এর দায় সরকার ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এড়াতে পারবে না।

প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর বক্তব্য

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, মালয়েশিয়া শ্রমবাজার নিয়ে চারদিক থেকে অনেক কথা শোনা যাবে। এসবে কান দিলে হবে না। আমরা আমাদের লক্ষ্যে অটুট। মালয়েশিয়া শ্রমবাজার নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার প্রয়োজন নেই। বাজার খুলতে যা যা প্রয়োজন সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধে ১০ হাজার কর্মী সম্পূর্ণ বিনামূল্যে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। আমরা এখন তা নিয়ে কাজ করছি। তাদেরকে কীভাবে, কয় ধাপে এবং কোন কোন কাজে নিয়োগ দেওয়া হবে সেটা নিয়ে আমরা বিভিন্ন আলোচনা অব্যাহত রাখছি। আশাকরি খুব দ্রুত এ বিষয়ে ভালো কিছু জানানো হবে।

প্রযুক্তির অগ্রগতি কি মানুষকে নৈতিকভাবে এগিয়ে নিচ্ছে

ঈশ্বরদীতে ঝটিকা মিছিলের পর গ্রেপ্তার যুবলীগ নেতা

২২% জনগোষ্ঠীকে সাক্ষরতার আওতায় আনা বড় চ্যালেঞ্জ

আরামকোসহ সৌদির বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হুথিদের হামলা, আহত ৭৩

কক্সবাজারে বিজিবির অভিযানে দের লাখ ইয়াবাসহ আটক ১

বাংলাদেশি রোগীরা মুখ ফেরানোয় মন্দায় কলকাতার হাসপাতাল ব্যবসা

ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫০২

গাজার শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রত্যাখ্যান নিয়ে ক্ষোভ

র‍্যাব কর্মকর্তা সেজে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবক

ঢাকা উত্তরে এনসিপির মেয়র প্রার্থী আসিফ, দক্ষিণে পাটওয়ারী