হোম > সারা দেশ > খুলনা

যশোরে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন ‘বাতিল’, বিএনপির স্থগিত

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা- চৌগাছা) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া, এই আসনের আরো পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে ত্রুটি পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে যশোর-১ (শার্শা) আসনে বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তির মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে দলীয় মনোনয়ন না থাকায়।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে যশোর-১ (শার্শা) ও যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই করা হয়। যাচাই-বাছাইয়ে যুক্ত কর্মকর্তাদের কাছ থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

জেলা রিটার্নিং অফিসার ও যশোরের জেলা প্রশাসক আশেক হাসান জানিয়েছেন, ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত জটিলতায় ব্যাংক ক্লিয়ারেন্স না থাকায় যশোর-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।

জেলা রিটার্নিং অফিস জানিয়েছে, মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের সিআইবি রিপোর্টে ২০ বছর আগের একটি ক্রেডিট কার্ডে বকেয়া দেখানো হয়েছে। যদিও তিনি বকেয়া পরিশোধের প্রমাণপত্র দাখিল করেছেন। তবে বকেয়া যথাসময়ে পরিশোধ না করায় এই বিপত্তি ঘটেছে।

রিটার্নিং অফিসার জানিয়েছেন, মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ এই বিষয়ে নির্বাচনি আপিল আদালতে আবেদনের সুযোগ পাবেন। বকেয়া ঋণ পরিশোধ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস রিটার্নিং অফিসারের দপ্তরে জমা দিলে তা ফের যাচাই করা হবে। এক্ষেত্রে তার প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

একই আসনে মোহাম্মদ ইসহক নামে একজনের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। যশোর পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা ইসহক দলীয় মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পারেননি।

এদিকে, ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে গরমিল থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী হাসান এবং স্বাক্ষরে সামঞ্জস্য না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী জহুরুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। জহুরুল চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি।

এই আসনের বিএনএফ প্রার্থী শাসছুল হকের মনোনয়ন পেন্ডিং রাখা হয়েছে। আর অগ্রণী ব্যাংকের আপত্তি থাকায় জাপা প্রার্থী ফিরোজ শাহের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

যশোর-১ (শার্শা) আসনে বিএনপি প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটনের প্রার্থিতা পেন্ডিং রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থাকা মামলার তথ্যে গরমিল খুঁজে পেয়েছেন কর্মকর্তারা। এছাড়া তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তির (স্ত্রী) তথ্যেও গরমিল রয়েছে। এগুলো সংশোধন করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা দিলে তার প্রার্থিতা চূড়ান্ত বলে গণ্য করা হতে পারে বলে জানান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান।

এই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান জহির ও শাজাহান গোলদারের মনোনয়নপত্রের সাথে ১ ভাগ ভোটারের সমর্থন করা কাগজ নেই। এই কারণে তাদের প্রার্থিতা পেন্ডিং রাখা হয়েছে। ত্রুটি সংশোধনের জন্য তাদের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে বলে রিটার্নিং অফিসের কার্যালয় থেকে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেন, ‘যে সমস্ত ত্রুটি দেখিয়ে প্রার্থীদের প্রার্থিতা বাতিল বা পেন্ডিং রাখা হয়েছে, সেগুলো সংশোধনের জন্য সময় রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রার্থীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলে তারা প্রার্থিতা ফিরে পাবেন। এ জন্য ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।’

কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আটক

ডিবি পরিচয়ে ডাকাতি, ৪ মাইক্রোবাস উদ্ধার, আটক চক্রের ৪ সদস্য

আ.লীগ নেতা সাজিয়ে জামায়াতকর্মী গ্রেপ্তার, নিন্দা

ব্যাংকে ফয়জুল করিমের ১ হাজার টাকা থাকলেও স্ত্রীর স্বর্ণ ১৮৭ ভরি

আমীর খসরুকে নিয়ে খালেদার ক্ষোভের অডিও ভাইরাল

মাছের সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা

খুবির আওয়ামীপন্থি শিক্ষিকার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক

ডেভিল হান্ট অভিযানে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় কাউনিয়ায় মন্দিরে প্রার্থনা

কর্তব্যরত অবস্থায় এসআইয়ের মৃত্যু