হোম > সারা দেশ

সারা দেশে জমে উঠেছে পশুর হাট

আমার দেশ ডেস্ক

ঈদুল আজহা সামনে রেখে সারা দেশে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। তবে এখনো পশুর হাটে ক্রেতাদের ভিড় জমে ওঠেনি। ক্রেতা ও বিক্রেতায় চলছে দরকষাকষি। ক্রেতারা কম দামে পছন্দের পশু কিনতে চাইছেন।

তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি জানান, পবিত্র ঈদুল আজহায় কুমিল্লার তিতাসে কোরবানির জন্য ১২ হাজার ১৬৫টি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। চাহিদার তুলনায় প্রায় ১ হাজার পশু বেশি রয়েছে। ঈদ সামনে রেখে ইতোমধ্যে পশুর পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন ছোট-বড় প্রায় ১ হাজার ৫৪০টি খামারি ও গ্রামীণ প্রান্তিক কৃষকরা। দেশি জাতের পশুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়ায়, স্থানীয় খামারিরা এবার আরো বেশি যত্ন নিয়ে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে পশু লালন-পালন করেছেন। তবে অধিকাংশ খামারিরা দেশি গরুর পাশাপাশি অল্প সময়ে অধিক লাভ ও মাংসের চাহিদা পূরণে শাহিওয়াল, রেড সিন্ধি ও ফ্রিজিয়ান গরু বেশি পালন করছেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এবার তিতাস উপজেলায় ছোট-বড় প্রায় ১ হাজার ৫৪০ খামারে কোরবানির জন্য ১২ হাজর ১৬৫ পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১০ হাজার ৩৭ গরু এবং ২ হাজার ১২৮ ছাগল ও ভেড়া। তিতাস উপজেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা প্রায় ১১ হাজার ২৯০টি। ফলে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে প্রায় ৮৭৫টি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে বলে ধারণা করছেন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।

দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি জানান, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় কোরবানির জন্য ২৩ হাজার ১৩৩টি গবাদিপশু প্রস্তুত করেছেন খামারি ও গৃহস্থরা। চাহিদার তুলনায় প্রায় ৬ হাজার বেশি পশু প্রস্তুত থাকায়, স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বাইরের হাটেও পশু সরবরাহের আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর দেবীগঞ্জ উপজেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ১৭ হাজার ২২০টি। এর বিপরীতে প্রস্তুত রয়েছে ২৩ হাজার ১৩৩টি পশু। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত রয়েছে ৫ হাজার ৯১৩টি পশু। উপজেলার ছয় শতাধিক খামারি ও গৃহস্থ পরিবার এসব পশু লালন-পালন করেছেন।

এদিকে প্রতিবছরের মতো ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে উপজেলার ভাউলাগঞ্জ, টেপ্রীগঞ্জ, লক্ষ্মীরহাট ও কালীগঞ্জ হাটে পশু উঠতে শুরু করেছে। এছাড়া পার্শ্ববর্তী নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার বসুনিয়ার হাটেও বিক্রি হবে দেবীগঞ্জে লালন-পালন করা কোরবানির পশু। ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে এসব হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতিও বাড়তে শুরু করেছে।

দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সবুজ কুমার বসাক বলেন, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সভা করা হয়েছে। পশুর হাটগুলোতে জাল টাকা শনাক্ত করার সরঞ্জামসহ ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

লাখাই (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, পশুকে আকর্ষণীয় করে তুলতে খামারিরা গরু-মহিষকে কাঁচা সবুজ ঘাস, ভুসি, খৈল ইত্যাদি খাইয়ে মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে গো-খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে খামারিদের দুশ্চিন্তায় ফেলেছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর জানিয়েছে, উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে ছোট-বড় ৭৮০টি খামারি রয়েছে। অনেক পরিবারও ব্যক্তিগতভাবে গরু-মহিষ ও ছাগল পালন করছেন। কোরবানির জন্য উপজেলায় মোট প্রস্তুত রয়েছে পাঁচ হাজার ১৩৫টি পশু, যা চাহিদার তুলনায় বেশি। তবে গত বছরের তুলনায় এ বছর বেড়েছে খামারের সংখ্যা ৯টি এবং পশু বেড়েছে ৩৫৭ টি। গত বছর খামারির সংখ্যা ৭৭১টি। পশু ছিল চার হাজার ৭৭৮টি। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর প্রাপ্যতা, নিরাপদ সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর একটি সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। কোরবানিযোগ্য ষাড়-বলদ রয়েছে চার হাজার ৩৬টি এবং মহিষ, ছাগল-ভেড়া এক হাজার ৯৯টি প্রস্তুত রয়েছে।

বেড়া (পাবনা) প্রতিনিধি জানান, আর মাত্র কয়েক দিন বাকি মুসলিম উম্মার বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। ঈদুল আজহা উপলক্ষে পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলার গো-খামারিরা তাদের পালন করা গবাদিপশু জেলার বিভিন্ন পশুর হাটে বিক্রি করে থাকেন। উত্তরবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ গবাদিপশুর হাট বেড়া চতুরহাটে প্রতিবছর ঈদের দুই-তিন সপ্তাহ আগে থেকেই কোরবানির পশু বিক্রি শুরু হলেও এবারে জমছে না পশু বিকিকিনি। হাটে বিপুল পরিমাণ কোরবানির পশু আমদানি হলেও ক্রেতা কম থাকায় হাটে বিক্রি করতে আসা গরু পালনকারীরা হতাশার মধ্যে পড়েছেন।

বেড়া পৌর এলাকার শুম্ভুপুর মহল্লার সামছুল বেপারী, বৃশালিখা মহল্লার মোমিন মোল্লা, শাহজাদপুরের করশালিখা গ্রামের হেলাল মিয়াসহ বেশ কিছু গরুর বেপারী জানান, তারা প্রতিবছর বেড়া সিএন্ডবি চতুরহাট থেকে ঈদের দুই-তিন সপ্তাহ আগ থেকে পশু কিনে ঢাকার বিভিন্ন হাটে নিয়ে বিক্রি করে থাকেন। তবে তারা ঢাকার বাজারের দিকে নজর রেখে কোরবানির পশুর দর নির্ধারণ করে পশুগুলো কিনে নেন। তাদের মতে গত কয়েক মৌসুমে ঢাকার কোররবানির বাজার ডিজিটাল পদ্ধতির দিকে চলে যাওয়ায় গরু কেনার প্রতিযোগিতা আগের মতো নেই বলে হাটে গিয়ে কোরবানির পশু কেনা কম হচ্ছে। তারা অধিকাংশ গরু পালনকারী বাড়ি বাড়ি গিয়ে কিনে রেখেছেন।

খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে পানির নিচে ১৫ গ্রাম

পাহাড়ধসে দুই জেলায় মৃত্যুর মিছিল

পঞ্চগড়ে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজেরাই মন্দির ও মূর্তি ভেঙে ফেলার অভিযোগ

সিলেটের নতুন জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন

শিক্ষার্থীদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে অবসরে প্রধান শিক্ষক আজহার

রেললাইনে জামাতে নামাজ আদায় করে জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবি

বান্দরবানে বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক যোগাযোগ পুনরুদ্ধারে বিজিবি

বাঁশখালীতে আট মাসের শিশুকে পাতিলে করে উদ্ধার

রংপুর বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে সৈয়দপুরে ১১ দলের স্বাগত মিছিল

বিএনপি ক্ষমতায় এসে জনগণের হাতে হারিকেন ধরিয়ে দিয়েছে