হোম > সারা দেশ > বরিশাল

বিদ্যুতে আলোকিত ভোলা, একযুগ পর ফের অন্ধকারে

৩৪ মেগাওয়াট রেন্টাল পাওয়ার প্লান্ট বন্ধ

ইউনুছ শরীফ, ভোলা

এক সময় বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার মানুষ বিদ্যুতের জন্য স্লোগান দিতেন— ‘আর কোনো দাবি নাই; ভোলার মতো বিদ্যুৎ চাই’। এক যুগেরও বেশি সময় পর সেই ভোলা আবারও অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যাচ্ছে। বিদ্যুতের আশা এখন জেলাবাসীর কাছে শুধুই দুরাশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিদ্যুৎ নামের যন্ত্রণা ও অনিশ্চয়তায় নাভিশ্বাস এ জনপদের ২০ লাখ মানুষ। অথচ স্থানীয় গ্যাসে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও অভিভাবকহীনতার কারণে বিদ্যুৎ নিয়ে চরম হতাশায় দিন পার করছে এ অঞ্চলের মানুষ।

দেশে অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে তেল দিয়ে। যার উৎপাদন খরচ ইউনিটপ্রতি ১০ থেকে ১৮ টাকা পর্যন্ত। অথচ নিজস্ব গ্যাসে উৎপাদিত ইউনিট প্রতি খরচ হয় ২ থেকে ২ দশমিক ৫০ টাকা। এই সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে ভোলার নিজস্ব গ্যাসে পরিচালিত ওয়েস্ট পাওয়ার জোন ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির মাধ্যমে ২০০৯ সালে ৩৪ দশমিক ৫ মেগাওয়াট রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ করে তৎকালীন সরকার। কিন্তু ২০২৪-এর জানুয়ারিতে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যায় রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টটি। শুরুতে ফাইলগত ত্রুটির কারণে পুনরায় এটি চালু করতে আগ্রহী নয় কর্তৃপক্ষ। যে কারণে দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় পর আবার অন্ধকারে নিমজ্জিত ভোলার জনপদ।

অপরদিকে, জায়গা অধিগ্রহণের পরও ফাইলবন্দি হয়ে আছে ভোলা গ্রিড সাবস্টেশন। শহর থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূর থেকে বোরহানউদ্দিন ২২৫ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে দুটি ট্রান্সফরমার দিয়ে বিদ্যুৎ সচল রাখার চেষ্টা করলেও একটি ট্রান্সফরমার দীর্ঘদিন বিকল। ট্রান্সফরমারের ক্ষমতার বাইরে গিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহের কারণে বারবারই সংযোগ বিচ্ছিন্ন হচ্ছে। এ কারণে এ জেলার বিদ্যুতের অনিশ্চয়তা আরো দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

এছাড়া নিয়ম বহির্ভূতভাবে রাস্তার পাশে গাছ রোপণ করায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় গাছ কাটা সম্ভব হচ্ছে না। যার কারণে যে কোনো বৈরী আবহাওয়াতেই গাছ পড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো), বেসরকারি বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ভেঞ্চার এনার্জি রিসোর্ট লিমিটেড ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ভোলা সদর উপজেলার খেয়াঘাটসংলগ্ন বিশ্বরোডের পাশে ভেঞ্চার এনার্জির ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করেন ৩৪ দশমিক ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়ার প্ল্যান্ট, যা শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্রের নিজস্ব গ্যাস দ্বারা পরিচালিত। ২০০৯ সালের ১২ জুলাই বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে যায় এই প্ল্যান্টটি।

ওজোপাডিকো’র চুক্তির আলোকে পেট্রোবাংলার সহযোগী সংস্থা সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানির গ্যাস সরবরাহের মাধ্যমে এই পাওয়ার প্ল্যান্টটি চলে আসছিল। যার উৎপাদন খরচে চুক্তি করা হয়েছিল ইউনিটপ্রতি ২ টাকা । দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় ধরে এই পাওয়ার প্ল্যান্টের সুবিধার আলোকে ভোলায় বিদ্যুতের উল্লেখযোগ্য কোনো সমস্যা দেখা যায়নি। কিন্তু এই প্ল্যানটি শুরুতেই আওয়ামী সরকার টেন্ডার ছাড়াই বিশেষ আইনে অধ্যাদেশ জারি করে পাওয়ার প্ল্যান্টকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুমতি দেয়।

২০১৫ সাল পর্যন্ত এ প্রতিষ্ঠানটি রেন্টাল প্ল্যানের মাধ্যমে চলে আসছিল। ২০১৬ সাল থেকে শুধু নবায়ন করার মাধ্যমে চলছিল এটি, যা বিধিবহির্ভূত। এ নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে লেখালেখি হওয়ার কারণে ২০২৪ সালে অন্তর্বর্তী সরকার এই অধ্যাদেশ বাতিল করে দেয়।

এদিকে, ভোলার রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টের টারবাইন নষ্ট হয়ে প্রতিষ্ঠানটি চালু না থাকার কারণে নবায়ন করতে আগ্রহী হয়নি এই প্রতিষ্ঠানটি। সূত্র মতে, টারবাইন সংযোজন করে প্রতিষ্ঠানটি চালু করতে ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকা প্রয়োজন। অপরদিকে, কোম্পানির কাছে বকেয়া পড়েছে ২০ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে কোম্পানির অনাগ্রহের কারণে এবং যুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় ২০২৫ সালের জুন মাসে সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় ৩৪ দশমিক ৫ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্টটি।

এদিকে, বোরহানউদ্দিন ২২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্ল্যান থেকে দুটি ট্রান্সফরমার দিয়ে পুরো ভোলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো। কিন্তু ২০২২ সাল থেকে একটি ট্রান্সফরমার বিকল। বাকি একটি ট্রান্সফরমার দিয়ে পুরো জেলা বিদ্যুৎ সরবরাহ করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত লোড দেওয়ায় বারবারই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে, শহরের দূরত্ব ৩৫ কিলোমিটার হওয়ায় অতিরিক্ত লোডের কারণে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের কবলে পড়তে হয় বিদ্যুৎ গ্রাহকদের।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিকল হওয়া ট্রান্সফরমারটি বাংলাদেশে আর একটিও নেই। এটি স্পেশালাইজড ট্রান্সফরমার হওয়ায় তা তৈরি করতে দুই থেকে আড়াই বছর সময় লাগে । পাশাপাশি ক্রয় করতে বিশাল অর্থেরও প্রয়োজন হওয়ায় সরকারের কর্তাব্যক্তিরা কেউই এ ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করছে না।

জানা য়ায়, ভোলায় নিজস্ব গ্যাস দিয়ে প্রায় সাড়ে ৪শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করলেও ভোলার চাহিদা অনুযায়ী ১৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। অথচ জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে ভোলার গ্যাসে উৎপাদিত বিদ্যুৎ। শুধু সঞ্চালন লাইনের ত্রুটির কারণেই এই প্রকট আরো বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অপরদিকে, বিদ্যুতের পাওয়ার স্টেশন নির্মাণের সময় সঞ্চালন লাইনের পাশে গাছ না লাগানোর নির্দেশনা থাকলেও যত্রতত্র লাগানো হচ্ছে গাছ। ২০১৩ সালে বোরহানউদ্দিনে পাওয়ার প্ল্যান নির্মাণ সড়কে গাছ লাগিয়ে বৃক্ষরোপণ উদ্বোধন করেছেন তৎকালীন আওয়ামী সরকারের এক সংসদ সদস্য, এমন অভিযোগ রয়েছে। সে সময় ছয় হাজার গাছ লাগানো হয় ওই সড়কটিতে। বড় হওয়া এসব গাছের যন্ত্রণায় নাকাল বিদ্যুৎ বিভাগ । সামান্য ঝড়-বৃষ্টি হলেই সঞ্চালন লাইনে গাছ পড়ে ৭-৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ থাকে। শহর থেকে দূরত্ব বেশি হওয়ায় এ সমস্যার সমাধান করতে অনেক বেগ পোহাতে হয় বিদ্যুৎ বিভাগকে। এ নিয়ে সড়ক কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগ গাছ কাটার বিষয়ে আইন চালাচালি হচ্ছে।

এদিকে, ভোলা শহর ও চরফ্যাশনে দুটি গ্রিড পাওয়ার সাবস্টেশন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করে তৎকালীন সরকার। পাঁচ বছর আগে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা এলাকায় জমি অধিগ্রহণসহ সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়। এনার্জিপ্যাক কোম্পানি এ পাওয়ার স্টেশন করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। কিন্তু অর্থের যোগানের জটিলতার কারণে সাবস্টেশনটির কাজ শুরু করতে পারেনি কোম্পানিটি। যে কারণে চুক্তি বাতিল হয়ে যায়।

পুনরায় বিষয়টি নিয়ে নতুন বরাদ্দের সুপারিশ করে ফাইল উপস্থাপন করলেও লাল ফিতার দৌরাত্ম্যে তা থমকে রয়েছে। অথচ ইতোমধ্যেই চরফ্যাশন গ্রিড সাবস্টেশন নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে।

ভোলায় এক হাজার ৪৩৩ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুত থাকার পরও গ্যাস দিয়ে পরিচালিত বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট বন্ধ থাকায় হতাশ ভোলাবাসী। তথ্যমতে, গ্যাস দিয়ে উৎপাদিত প্রত্যেক ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে দুই থেকে আড়াই টাকা খরচ হয়। অথচ বাংলাদেশের অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে তেল দিয়ে। যেখানে ইউনিট প্রতি খরচ হচ্ছে ১২ থেকে ১৮ টাকা। এমন বৈষম্যমূলক আচরণে ক্ষুব্ধ ভোলার সচেতন মহল।

তাদের দাবি— প্রয়োজনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় তেল দিয়ে উৎপাদিত বিদ্যুৎ প্ল্যান বন্ধ করে ভোলার গ্যাস দিয়ে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে আরো সংযোগ করা হোক যা থেকে ভোলাবাসী উপকৃত হবে।

এ বিষয়ে রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টের দায়িত্বে থাকা শিফট ইনচার্জ (অপারেশন) জাকির হোসেন সবুজ আমার দেশকে জানান, ৩৪ পয়েন্ট ৫ মেগাওয়াট রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টের টারবাইন নষ্ট থাকা এবং ২০২৫ সালের জুনে আমাদের চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়। পরবর্তী সরকার আর চুক্তি নবায়ন করেনি। অপরদিকে, আমাদের কোম্পানিরও খুব বেশি আগ্রহ নেই পুনরায় চালু করার। যেহেতু কয়েকশ কোটি টাকার বিষয়। আমাদের শতাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীর মধ্যে এখন ২০-২৫ জন আছে তাও বছর খানেক ধরে বেতন-ভাতা দিচ্ছে না।

ওয়েস্ট পাওয়ার জোন ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ও ওজোপাডিকো ভোলার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ আমার দেশকে জানান, ভোলার বিদ্যুতের সমস্যার সমাধানের তিনটি পথ খোলা রয়েছে। প্রথমত, ৩৪ দশমিক ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়ার প্ল্যান্ট করার উদ্যোগ নিতে হবে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও জনপ্রতিনিধিদের এগিয়ে আসতে হবে। দ্বিতীয়ত, ভোলা সদরে গ্রিড সাবস্টেশনের জন্য জমি অধিগ্রহণসহ যেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে তা বাস্তবায়নের জন্য দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। তৃতীয়ত, সঞ্চালন লাইন আধুনিক করতে হবে এবং ট্রান্সফরমার স্থাপন করতে হবে।

তিনি আরো জানান, বিদ্যুৎ পাওয়ার প্ল্যান্টের টারবাইন নষ্ট এবং তাদের চুক্তির মেয়াদ শেষ। এসব সমস্যা সমাধান করে প্ল্যানটি চালুর বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে চরফ্যাশনের গ্রিড সাবস্টেশন চালু হওয়ায় শহরের বিদ্যুতের লোডশেডিং কিছুটা উন্নতি হবে। তবে বড় সমস্যা হচ্ছে গাছ। অপরিকল্পিত গাছের কারণে সামান্য ঝড়-বৃষ্টি হলেই আমরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হই। এ থেকে পরিত্রাণের সুনির্দিষ্ট কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই।

ভোলা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ গোলাম নবী আলমগীর বলেন, গ্যাসসমৃদ্ধ জেলা ভোলা। বিদ্যুৎ উৎপাদনে আমাদের জ্বালানির প্রয়োজন হয় না। এরপরও যদি আমরা বিদ্যুতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে না পারি তা অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয়। আমরা চাই সরকার দ্রুত গতিতে ৩৪ দশমিক ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়ার প্ল্যান্ট চালু করুক এবং ভোলায় গ্রিড সাব-স্টেশনটির কাজ দ্রুত বেগে শুরু করুক। এ ব্যাপারে আমার পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে।

ভোলা জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান আমার দেশকে জানান, ৩৪ দশমিক ৫ মেগাওয়াট রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট চালু এবং ভোলায় গ্রিড সাবস্টেশনের বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে। ইতোমধ্যেই ভোলা-১ এর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বিদ্যুৎমন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছেন। গাছ কাটার বিষয়ে তিনি বলেন, রোডস অ্যান্ড হাইওয়ে, পরিবেশ অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসন মিলে বিদ্যুৎ বিভাগ চাইলে উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। গ্যাস দিয়ে পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গ্যাস দিয়ে পুনরায় বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি সময়সাপেক্ষ বিষয়।

হঠাৎ বন্ধ বরিশালের অলিম্পিক সিমেন্ট, অনিশ্চিত তিন শতাধিক শ্রমিকের ভবিষ্যৎ

ঝালকাঠিতে ২৫ আ. লীগ নেতাকর্মীর ৩৩ অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল

পরিবহন খরচের অভাবে খাদ্যগুদামে পড়ে আছে ৩৪০ টন চাল

চরফ্যাশনে নজরুল ইসলাম কলেজের অধ্যক্ষকে শোকজ

দুমকিতে ৫০০ ফুটের পতাকা নিয়ে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের শোভাযাত্রা

কলাপাড়ায় ছাগল পেয়ে উচ্ছ্বসিত ৩০ দরিদ্র নারী

শ্বশুরবাড়ি থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যাকাণ্ড

উজিরপুর পৌরসভায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

মাদকের টাকার জন্য বাবা-মাকে নির্যাতন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ছেলের কারাদণ্ড

চাঁদাবাজির অভিযোগে গণপিটুনি, পদ হারালেন দুই বিএনপি নেতা