ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলায় জামায়াতে ইসলামী কর্মী জালাল আহমেদকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে যুবদল নেতা জাকির হোসেন গ্রুপ। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার নারিকেলবাড়িয়া ওয়ার্ডের হাজিরহাট এলাকায় জামায়াতের কর্মী জালাল আহমেদ ও আনিসুর রহমানকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে একই এলাকার জাকির হোসেন ও আলমগীর গ্রুপ। পরে স্থানীয়রা টের পেয়ে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিমে পাঠান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া জাকির হোসেন শুক্তাগড় ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বর্তমানে যুবদল কর্মী এবং ২৪ সালে শাহজাহান ওমরের নৌকার নির্বাচন করছেন এবং সঙ্গে ছিলেন আলমগীর খানসহ ১৫-২০ জন।
ঝালকাঠি জেলা আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান বলেন, জামায়াতে ইসলামের কর্মী জালাল আহমেদ ও আজিজুর রহমানকে কুপিয়ে এমনভাবে জখম করা হয়েছে যে তাদের উদ্ধার করে রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাৎক্ষণিক বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এই জাকির গ্রুপ আমাদের কর্মীদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করে। নির্বাচনের ফলাফলের পর জালাল আহমেদসহ আমাদের ওই এলাকার কর্মীরা জাকির গ্রুপের ভয়ে রাতের বেলা এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। ঈদ উপলক্ষে ২৯ রমজান বাড়িতে এলে রাতে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে। পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, আহত দুজনের একজন শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে আসছিলেন, তিনিও রক্ষা পাননি হামলা থেকে। হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করা না হলে পরবর্তী পরিস্থিতির জন্য প্রশাসন দায়ী থাকবে। আর এমপি সাহেব যদি তাদের দল থেকে বহিষ্কার না করেন, তাহলে আমরা বুঝব, এর পেছনে তার ইন্ধন রয়েছে।’
অভিযুক্ত যুবদল নেতা জাকির হোসেন বলেন, ‘এই জালাল আহমেদই লোকজন নিয়ে আমাদের পোলাপানের ওপর হামলা করেছে। এতে আমাদের কয়েকজন আহত হয়েছে।