হোম > সারা দেশ > বরিশাল

ঈদ সামনে রেখে বরিশালে মসলা বিক্রি দ্বিগুণ

নিকুঞ্জ বালা পলাশ, বরিশাল

পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়ে উঠছে বরিশালের মসলার বাজার। দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গসহ হরেক রকমের মসলা কিনতে ক্রেতারা ভিড় জমাচ্ছেন নগরীর বিভিন্ন বাজারের মুদি দোকানগুলোয়। নগরীর বাজার রোড এলাকার পাইকারি মসলার দোকানগুলোতেও বেচাকেনা বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। তবে বিগত বছরের তুলনায় চলতি ঈদে মসলার দাম বাড়েনি বরং কিছু কিছু মসলার দাম কিছুটা কমেছে বলে জানান বিক্রেতারা। দাম তুলনামূলক কম থাকায় ক্রেতাদেরও তেমন কোনো অভিযোগ নেই।

গতকাল সোমবার সকালে নগরীর চকবাজার, বাজার রোড, বাংলাবাজারসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঈদকে কেন্দ্র করে ক্রেতাদের আনাগোনা বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, কয়েক মাস ধরে অধিকাংশ মসলার দাম একই অবস্থানে রয়েছে। পাইকারি দোকানগুলোতে প্রতি কেজি দারুচিনি ৪৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। এছাড়া প্রতি কেজি বড় সাইজের এলাচ পাঁচ হাজার ১০০ টাকা, ছোট সাইজের এলাচ চার হাজার ৩০০ টাকা থেকে চার হাজার ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি লবঙ্গ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৩২০ টাকা কেজি দরে। পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি ভালো মানের জিরা বিক্রি হচ্ছে ৫২০ থেকে ৫৮০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া জায়ফল তিন হাজার ১০০ টাকা, প্রতি কেজি জায়ফল ৮০০ টাকা, কালো গোলমরিচ এক হাজার ১৫০ টাকা, সাদা গোলমরিচ এক হাজার ৪০০ টাকা, কিশমিশ ৮২০ টাকা, ধনিয়া ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, অধিকাংশ মসলাই ছয় মাস আগের তুলনায় ২০-৪০ টাকা কমেছে। অন্যান্য মসলার দামও অপরিবর্তিত রয়েছ। তবে খুচরা বাজারে মসলার দাম কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেশি রাখা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা। বিশেষ করে যারা অল্প পরিমাণে মসলা কেনেন, তাদের ওপর বাড়তি চাপ পড়ছে বলে জানিয়েছেন অনেকেই। এছাড়া বাজারে প্রতি কেজি আদা ১০০ থেকে ১২০ টাকা, দেশি রসুন ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, ভারতীয় রসুন ২২০ টাকা এবং পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। বাজারে সেমাইর দাম স্বাভাবিক থাকলেও চিনির দাম কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে বলে জানান ক্রেতারা।

বরিশাল নগরীর বাজার রোড এলাকার পাইকারি দোকান মানিক স্টোরের মালিক কার্তিক বণিক আমার দেশকে বলেন, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় বাজারে তেমন প্রভাব পড়েনি। মাঝে কিছু পণ্যের দাম বেড়েছিল, তবে এখন পরিস্থিতি অনেকটা স্থিতিশীল রয়েছে। ঈদে বেচাকেনা আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলেও জানান তিনি।

একই এলাকার আনন্দ মসলা স্টোর্সের স্বত্বাধিকারী হুমাউন কবীর আমার দেশকে বলেন, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে মসলার দাম তেমন বাড়েনি। বরং কিছু কিছু মসলার দাম কমেছে। তিনি বলেন, পাইকারি আর খুচরা দামের পার্থক্যের কারণে সাধারণ মানুষ অনেক সময় মনে করেন সব জায়গাতেই দাম বেড়েছে।

এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক অপূর্ব অধিকারী বলেন, নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মনিটরিং ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৮ মাসে কোরআনে হাফেজ ১২ বছরের মুয়াজ

হিজলায় নৌকাডুবি, বাবা-ছেলেসহ নিখোঁজ ৩

চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক দল সেক্রেটারি গ্রেপ্তার

৭৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদককারবারি গ্রেপ্তার

রাজাপুরে ভেকু মেশিনের ধাক্কায় ব্র্যাকের মাঠকর্মী নিহত

ইসলামী ব্যাংক কর্মকর্তার টাকা ছিনতাই, গ্রেপ্তার আসামি

মাদকাসক্ত ছেলের বিরুদ্ধে নিজ ঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ

খালেদা জিয়ার উপহারের সেই ‘কালা মানিক’ বিক্রি হলো ২০ লাখে

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬, শ্রেষ্ঠ ইউএনও আলী সুজা

বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, গুরুতর আহত ২ চালক