চরাঞ্চলের অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের চোখের যত্ন ও চিকিৎসা সেবার আওতায় আনার জন্য সুদূর আমেরিকা থেকে ভোলার চরফ্যাশনে এসেছেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মি. র্যান্ডম।
‘আমার চোখ আমার আলো’ নামে একটি পাইলট প্রকল্পের উদ্যোগে বাংলাদেশে এসেছেন তিনি। ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) ও বাংলাদেশ ডিজাস্টার প্রিপেয়ার্ডনেস সেন্টার (বিডিপিসি) এবং ডাটা ইয়াকারের যৌথ উদ্যোগে দেশের দক্ষিণে প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষের চোখের চিকিৎসা সেবা বাস্তবায়নে পাইলট প্রকল্পটি উদ্বোধন করা হয়।
সোমবার বেলা ১১টায় চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ মা ও শিশু হাসপাতালে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসনা শারমিন মিথির সভাপতিত্বে অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের মধ্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবং সিপিপির পরিচালক আহমাদুল হক, বিডিপিসির পরিচালক ও সাবেক সিপিপি পরিচালক সাইদুর রহমান ও বরিশাল বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ডিরেক্টর আবদূর রাজ্জাক।
অনুষ্ঠানের পরিচালনায় অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী আইটি বিশেষজ্ঞ হাসিবুর রহমান বলেন, এ দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের ২০ হাজার মানুষকে বিনামূল্যে ৬মাস ব্যাপী চক্ষু চিকিৎসা সেবা দেয়া হবে। যাতে করে চক্ষু সেবা প্রোগ্রামের মাধ্যমে হত দরিদ্র মানুষ চোখের আলো ফিরে পায়।