হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

নির্বাচন-গণভোট হবে অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য: ইসি কমিশনার

উপজেলা প্রতিনিধি, সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম)

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হবে সম্পূর্ণ অবাধ, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য এবং ইমানদারির নির্বাচন—এটি কোনোভাবেই তামাশা বা খামখেয়ালিপূর্ণ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সীতাকুণ্ড ডিগ্রি কলেজে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, অতীতে নির্বাচনকে তামাশায় পরিণত করা হয়েছিল, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। দেশ কোনো তামাশার জায়গা নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন অবশ্যই সুন্দর, সঠিক, নিরপেক্ষ ও জনগণের আস্থা-ভাজন হবে।

তিনি আরো বলেন, গুটিকয়েক ব্যক্তির কর্মকাণ্ডের জন্য দেশপ্রেমিক বিশাল পুলিশ বাহিনীকে অপবাদ দেওয়া অনুচিত, অথচ সেটাই হয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি আর হতে দেওয়া হবে না।

সীতাকুণ্ড উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন এবং চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সভায় ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

জামায়াতের নির্বাচনি সভায় ডা. তাহেরের জন্য দোয়া চাইলেন আ.লীগ নেতা

চট্টগ্রামকে আঞ্চলিক লজিস্টিক হাবে গড়ার প্রতিশ্রুতি আমীর খসরুর

চট্টগ্রাম নগরে সাজসাজ রব, বিএনপির নেতাকর্মীদের ঘরে ঘরে উৎসবের হাওয়া

প্রতিপক্ষের গুলিতে ডাকাত সর্দার শাহীনের সহযোগী নিহত

‘হ্যাঁ’ ভোট মানে হচ্ছে, আগামীর স্বাধীন সাংবাদিকতা : এম আবদুল্লাহ

দক্ষিণ আফ্রিকায় ‘সন্ত্রাসীদের’ গুলিতে মিরসরাইয়ের টিপু নিহত

কুমিল্লায় বিএনপির দুর্গে হানা ‍দিতে প্রস্তুত জামায়াত-এনসিপি

ভোট দিলে যদি বেহেস্ত পেত, তাহলে মানুষ আর ধর্মকর্ম করত না

পাঁচ লাখ মানুষের চিকিৎসায় চারজন ডাক্তার

এই অবহেলা আর মেনে নেব না : রুমিন ফারহানা