সাংবাদিকদের চসিক মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, একটা স্বৈরাচার সরকারের স্বৈরাচারী মেয়রের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। ২০২৯ সালের ৩ নভেম্বর আমার মেয়াদ শেষ হবে। এর আগে নয়। তারপরও আমি নির্বাচন চাই। তফসিল ঘোষণা হলে যদি দল আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করে তাহলে পদত্যাগ করব।
রোববার দুপুরে হালিশহরে পার্ক ও ওয়াকওয়ের সৌন্দর্যবর্ধন কাজের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
২০২১ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে মেয়র শাহাদাত বলেন, নির্বাচন ছিল ভীতিকর ও অনিয়মে ভরা । ইভিএমে ভোটগ্রহণ হলেও তাকে প্রিন্টেড ফলাফল দেওয়া হয়নি, বরং হাতে লেখা ফলাফল দেওয়া হয়। এ নিয়ে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন এবং দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর রায় পান। নির্বাচনের সময় তার এজেন্টদের মারধর, গ্রেপ্তার এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও করেন তিনি। এমনকি হাসপাতাল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলেও জানান।
চসিক মেয়র বলেন, আমি অত্যন্ত গণতান্ত্রিক মানুষ। ১৬ বছর আন্দোলন করেছি, সংগ্রাম করেছি, ফাইট করে এ পর্যায়ে এসেছি। আদালত যে রায় দিয়েছেন তা ঐতিহাসিক।
তিনি বলেন, নির্বাচন আয়োজনের বিষয়টি এখন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের (এলজিআরডি) ওপর নির্ভর করছে। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে শুধু চট্টগ্রাম নয়, ঢাকাসহ অন্যান্য সিটিতেও নির্বাচন হওয়া উচিত বলে মত দেন তিনি।
২০২১ সালে চসিক নির্বাচনে রেজাউল করিম মেয়র নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনের কারচুপির অভিযোগ এনে রেজাউল-সিইসিসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে ডা. শাহাদাত আদালতে মামলা করেন। সেই মামলায় রায় পেয়ে ২৪ সাল থেকে চসিকের মেয়রের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। রোববার নির্বাচন-পরবর্তী পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হয়েছে।