লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রচার শুরু হলেও ভোটের আমেজ সাধারণ ভোটারদের চোখে পড়ছে না। এমনটাই বলছেন ভোটাররা। নির্বাচনি প্রচারে বেশির ভাগ প্রার্থীর যোগ্যতা বা মার্কায় পোস্টারে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে যায় পাড়া-মহল্লা, চায়ের দোকান ও ভোটারদের বাড়ির আনাচে-কানাচে। কিন্তু এবার পোস্টারবিহীন নির্বাচন জনমনে সাড়া ফেলতে পারেনি। সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী নির্বাচনি প্রচার দেখা যাচ্ছে। শুধু বিকালে সীমিত মাইক ও ফেস্টুনে প্রচার সীমাবদ্ধ রয়েছে।
জানা গেছে, লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে প্রার্থীরা হলেন- বিএনপির এবিএম আশরাফ উদ্দীন নিজান (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ এ আর হাফিজ উল্লাহ (দাঁড়িপাল্লা), জেএসডির তানিয়া রব (তারা), ইসলামী আন্দোলনের খালেদ সাইফুল্লাহ (হাতপাখা), গণঅধিকার পরিষদের রেদওয়ান উল্লাহ (ট্রাক) প্রতীকের লড়াই হবে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নির্বাচনি প্রচার পোস্টারহীন মাঠ ফাঁকা। শুধু কিছু ফেস্টুন দেখা যাচ্ছে। তবে ভোটারদের বাড়ি ও চায়ের দোকানে প্রার্থীদের প্রচার দেখা যাচ্ছে। তারা হাতমাইক ও কিছু ইশতেহার লিফলেট দিয়ে প্রচার করছেন। প্রতীকের ঝুলন্ত কোনো পোস্টার চোখে পড়েনি। কমলনগর কলেজের অধ্যক্ষ আরিফ হোসেন বলেন, পোস্টারের মাধ্যমে নির্বাচনি প্রার্থীর প্রচার করা হয়। পোস্টার নির্বাচনি সৌন্দর্য নষ্ট করলেও ভোটের আমেজে সাড়া জাগায়। এবারে নির্বাচনে পোস্টার নেই। যার কারণে নির্বাচনি প্রচার চোখে পড়ছে না।
পোস্টার নির্বাচনি পরিবেশ নষ্ট করে। ইসি নীতিমালার প্রতি সাধুবাদ জানাচ্ছি। ভোটার ইউছুফ ও শরীফ বলেন, সবসময় নির্বাচন এলে দেখি, ছোট-বড় পোস্টার ও ব্যানারে ভরে যায় নির্বাচনি মাঠ। এবারের নির্বাচনে তেমন আমেজ নেই। শুধু বিকালে হালকা মাইকের আওয়াজ ও কিছু ফেস্টুন দেখা যাচ্ছে। সম্পূর্ণ পোস্টারহীন প্রচার চোখে না পড়ার মতোই।
নির্বাচন কমিশন আব্দুল ওয়াদুদ সুমন বলেন, এবারের নির্বাচনে ইসি প্রচারে বেশ পরিবর্তন এনেছে। নির্বাচনে বেলা ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সীমিত সংখ্যক মাইক চলবে। সীমিত ফেস্টুন ব্যবহার হবে। উড়ন্ত হেলিকপ্টার, জীবন্ত প্রাণী প্রচারে ব্যবহার নিষিদ্ধ রয়েছে। এছাড়াও নির্বাচনে কোনো পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। পোস্টার সম্পূর্ণ নিষেধ রয়েছে। পোস্টার ব্যবহারে আচরণবিধি লঙ্ঘন করা যাবে না। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ডিজিটালে প্রচার করা যাবে।