হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

যুদ্ধাহত মৃদুল রাণীর পাশে উপজেলা প্রশাসন

উপজেলা প্রতিনিধি, পরশুরাম (ফেনী)

‎সংবাদ প্রকাশের পর পরশুরামে যুদ্ধাহত মৃদুল রাণীর পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ‎মঙ্গলবার (৭এপ্রিল) দুপুরে পরশুরাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদিয়া সুলতানা পৌর এলাকার বাউরখুমায় মৃদুল রাণীর বাড়িতে যান।

‎সময় তার স্বামী আনন্দ রায়ের চায়ের দোকানের জন্য সরঞ্জাম ও তার পরিবারের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র প্রদান করেন।

‎‎সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে 'পাকবাহিনীর পুতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে পা হারানো মৃদুল রাণীর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির জন্য সংবাদ প্রকাশ হয়।

‎‎১৯৭১ সালের ১৪ আগস্টে পাকবাহিনীর পুতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে ডান পা উড়ে যায় মৃদুল রাণীর।মৃদুল রাণী জানান, বিলোনিয়ার আমজাদনগরে ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের শক্ত একটি ঘাঁটি। বাবার সহায়তায় সেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য খাবার রান্না করে দিতাম । সকাল বেলা বাড়ি থেকে আমজাদ নগরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হলে  পথিমধ্যে পাকিস্তানি বাহিনীর পুঁতে রাখা একটি মাইনের উপরে পা পড়ে সাথে সাথে আমার ডান পায়ের দুই তৃতীয়াংশ কোমর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

‎‎তারপর থেকে মৃদুল রাণীর জীবনের সাথে যুক্ত হয়ে যায় পঙ্গু প্রত্যয়টি। স্বাধীনতা যুদ্ধের ৫৫ বছর পরও প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও রাজনৈতিক নেতাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও মুক্তিযুদ্ধের কোন স্বীকৃতি পাননি মৃদুল রাণী।

‎‎ইউএনও সাদিয়া সুলতানা জানান, যুদ্ধাহত মৃদুল রাণীকে উপজেলা প্রশাসন থেকে সামান্য সহযোগিতা করা হয়েছে। তাঁকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের জন্য স্বীকৃতির জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।

মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলার বিরুদ্ধে বিএনপি নেতাদের কঠোর হুঁশিয়ারি

‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের লেডি ডন লাইলি গ্রেপ্তার

হানিফ পরিবহনের বাস থেকে ৮ কোটি টাকার ইয়াবা-হেরোইন উদ্ধার

তরমুজ চাষিদের মাথায় হাত, ঝুঁকিতে শতকোটি টাকার মূলধন

লরি ওভারটেক করতে গিয়ে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত চালক

চাটখিলে নলকূপ দিয়ে উঠছে গ্যাস

নাসিরনগরে কাজ অসমাপ্ত রেখে বিল তুলে ঠিকাদার উধাও

বৈরী আবহাওয়ায় নোয়াখালী-ঢাকা ট্রেন চলাচল অচলাবস্থা

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে শ্রমিক বিক্ষোভ, ১০ কিলোমিটার যানজট

৫১ হাজার টন জ্বালানি নিয়ে দুটি জাহাজ আসবে বুধবার