হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদী কারাগারে

উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান

উপজেলা প্রতিনিধি, চকরিয়া (কক্সবাজার)

ছবি: আমার দেশ

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুল করিম সাঈদীকে জেলহাজতে পাঠিয়েছে আদালত।

রোববার দুপুরে তিনি একটি মামলায় কক্সবাজারের অতিরিক্ত চিফ জুড়িশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের প্রার্থনা করেন। এ সময় আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদীর আইনজীবী কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক খান কায়সার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এ সময় তিনি বলেন, চকরিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুল করিম সাঈদি একটি পুরোনো জিআর মামলায় জামিনে ছিলেন। কিন্তু তার শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে তিনি ওই মামলার পরবর্তী দুই ধার্য তারিখে অনুপস্থিত ছিলেন। ফলে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

রোববার তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে পুনরায় জামিনের আবেদন করেন। বিজ্ঞ আদালত জামিন শুনানি শেষে ফজলুল করিম সাঈদীকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

প্রসঙ্গত, জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী ২০২৪ সালের ২১ ডিসেম্বর সন্ধ্যার দিকে প্রাইভেট গাড়িযোগে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় যাওয়ার পথে ফেনীর মহিপাল এলাকায় র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী। পরে তাকে চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র জুড়িশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করলে বিজ্ঞ আদালত কক্সবাজার জেলা কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দেয়।

আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুল করিম সাঈদী ২০১৯ ও ২০২৪ সালে পরপর দুবার চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লায় বাস উল্টে নিহত ১, আহত ৬

‎পরশুরামে পুকুরে কীটনাশক দিয়ে ১০ টন  মাছ নিধন

আধিপত্য বিস্তারে সংঘর্ষে যুবদলকর্মীর কবজি বিচ্ছিন্ন

হাইমচরে যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল জব্দ

নারী সেজে ছাত্রদল নেতার টিকটক, বহিষ্কারের পর যা বললেন

চেঙ্গী নদীতে ডুবে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

তনু হত্যার ১০ বছর পর তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ

কুমিল্লার নিমসার বাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করল সওজ

এক টানেই ধরা পড়ল ১০১ মণ ইলিশ, ৩৩ লাখে বিক্রি

লালমাইয়ে অগ্নিকাণ্ডে ৩ বসতঘর ভস্মীভূত, ১০ লাখ টাকার ক্ষতি