ফেনীতে ওজন বাড়াতে জেলি পুশ করে চিংড়ি মাছ বিক্রির দায়ে ‘বাংলাদেশ ফিশিং’ নামে আড়তদারকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সাথে প্রায় ৮০ কেজি জেলি পুশকৃত গলদা চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার ফেনী সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা নাসরিন কান্তার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এই জরিমানা করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী ওজন বাড়াতে এবং গ্রেড পরিবর্তন করে প্রতারণার উদ্দেশে চিংড়িতে ক্ষতিকর জেলি পুশ করে আসছিল-এমন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সকালে পৌর মৎস্য আড়তে এই অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে ‘বাংলাদেশ ফিশিং’ আড়ত থেকে আনুমানিক ৮০ কেজি জেলি পুশকৃত গলদা চিংড়ি জব্দ করা হয়। পরে মৎস্য ও মৎস্যপণ্য (পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০২০ এর ৩১ ধারা মোতাবেক আড়তের মালিককে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দকৃত ভেজাল চিংড়িগুলো তাৎক্ষণিকভাবে মাটিচাপা দিয়ে বিনষ্ট করা হয়।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও মৎস্য কর্মকর্তারা উপস্থিত অন্যান্য আড়তদার এবং ক্রেতাদের উদ্দেশ্যে সচেতনতামূলক বক্তব্য রাখেন। তারা জেলি পুশকৃত চিংড়ি খাওয়ার স্বাস্থ্যঝুঁকি, অবৈধভাবে ওজন বৃদ্ধি এবং গ্রেড পরিবর্তন করে ক্রেতা ঠকানোর বিভিন্ন নেতিবাচক দিক তুলে ধরে সবাইকে সতর্ক করেন।
ফেনী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা নাসরিন কান্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জনস্বার্থে ভেজাল ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এমন অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।