হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

পুলিশ-শীর্ষ সন্ত্রাসীর সহযোগীর অডিও ভাইরাল

চট্টগ্রাম ব্যুরো

ছবি: আমার দেশ

চট্টগ্রামের হাজিরপুল এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদ গ্রুপের ঘনিষ্ঠ সহযোগীর সঙ্গে পুলিশের এক সদস্যের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি কথোপকথনের অডিওকে কেন্দ্র করে বিষয়টি এখন আলোচনার কেন্দ্রে।

ভাইরাল হওয়া ওই কথোপকথনে রাসেদ নামে পরিচিত এক ব্যক্তির স্ত্রী এবং চাঁন্দগাও থানার এসআই লিটনের মধ্যে আর্থিক লেনদেন ও মামলা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে অডিওটি নজরে আসার পর পুলিশ তদন্ত করছে। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত লিটনকে ডেকে এই বিষয়ে জানতে চেয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (উত্তর) উপ-কমিশনার আমিরুল ইসলাম।

ছড়িয়ে পড়া অডিওটি কোরবানের ঈদের সময়কার। সেখানে শোনা যায় রাসেদের স্ত্রী অতীত লেনদেন ও মামলার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মুঠোফোনে ওই কলে রাসেদের স্ত্রীকে এসআই লিটন বলেন, ম্যাডাম আপনাকে খুঁজতেছি। কিন্তু ব্যস্ততার কারণে খবর নিতে পারিনি।

রাসেদের স্ত্রী: স্মরণ করছেন ঠিক আছে, কিন্তু আপনি তো আমার সঙ্গে বেঈমানি করছেন ভাই। যতটুকু আমার সামর্থ্য আছে ওই টুকু আপনাকে দিছি না। জবাবে এসআই লিটন: হ্যাঁ দিছেন।

রাসেদের স্ত্রী: এখন আপনি দুইটা মামলা দিয়ে চালান দিছেন। আরও একটা মামলা দিছেন। আপনি আ.লীগ করার মামলা দিছেন। আপনি যদি মামলা না দিয়ে থাকেন, তাহলে এই মামলা কে দিছে?

এরপর কথোপকথনে এসআই লিটনকে বলতে শোনা যায়, ওনার অনেক সমস্যা আছে, ফোনে বলা যাবে না। আপনি ঈদের পর আসেন, সরাসরি বলব।

রাসেদের বিরুদ্ধে কয়েকটি থানায় অন্তত ৮টি মামলা রয়েছে। সেসব মামলা মিথ্যা মামলা বলে দাবি করেছেন তিনি। রাসেদ সম্প্রতি জেল থেকে বের হয়েছেন। আমার দেশকে তিনি বলেন, আমাকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়। আমি জেলে থাকার সময় আমার স্ত্রীর সঙ্গে ওই এসআইয়ের কথোপকথন এটি। আমাকে মামলা দেবে না বলে ৭০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন ওই এসআই।

অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য এসআই লিটনের মুঠোফোনে কল দিয়ে এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন।

রাসেদ শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের অনুসারী বলে প্রচার হচ্ছে- এই বিষয়ে জানতে চাইলে বড় সাজ্জাদ আমার দেশকে বলেন, রাসেদ আমার কোনো অনুসারী নয়। তাকে চিনিও না। আমাকে জড়িয়ে পুলিশ বরং মামলা বাণিজ্য করছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (উত্তর) উপ-কমিশনার আমিরুল ইসলাম বলেন, ভাইরাল ভিডিওটি তার নজরে আসার পর এসআই লিটনকে ডেকে কথা বলা হয়েছে।

তিনি জানান, বিষয়টি প্রাথমিকভাবে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যে অভ্যন্তরীণভাবে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ডিসি আমিরুল ইসলাম বলেন, ভিডিওটি আমার নজরে আসার পর এসআই লিটনকে ডেকেছি, কথা বলেছি। বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি। তবে তদন্তের অগ্রগতি বা কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

এমএইচ

অবৈধ গ্যাস ব্যবহারে কোটি টাকার ক্ষতি, দুইজন কারাগারে

যাত্রাবাহী বাস শ্যামলীর ধাক্কায় সুপারভাইজার নিহত

স্কুল হোস্টেলে ছাত্রের মৃত্যু: অধ্যক্ষসহ ১৮ জনের নামে মামলা

ফুলের শুভেচ্ছা নিতে নিতে হয়রান দেবিদ্বারের ইউএনও, বিঘ্নিত দাপ্তরিক কাজ

চট্টগ্রামে হঠাৎ থমকে গেছে দুদকের মামলার কার্যক্রম

আমার নির্দেশ অমান্য করলে অন্য রূপ দেখতে পাবেন

সন্দ্বীপের সাত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভবন সংকট

পানিতে ভাসছে বাঁশখালীর শত শত পরিবার

ফেনীতে বাড়ছে নিষিদ্ধ আ.লীগের তৎপরতা

কৃষিকে প্রযুক্তিনির্ভর ও লাভজনক করতে সীতাকুণ্ডে পিএফএস কংগ্রেস