হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

কেএনএফের ইউনিফর্ম সন্দেহে আরো ১১ হাজার পোশাক জব্দ

চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকা থেকে একটি গুদামে অভিযান চালিয়ে পাহাড়ের সন্ত্রাসী সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)-এর ইউনিফর্ম সন্দেহে ১১ হাজার ৭৮৫ পিস পোশাক জব্দ করেছে পুলিশ। তবে এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, গত ১৭ মে রাতে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার নয়ারহাট এলাকার রিংভো অ্যাপারেলস নামের একটি তৈরি পোশাক কারখানা থেকে ২০ হাজার ৩০০ পিস সন্দেহজনক পোশাক (ইউনিফর্ম) জব্দ করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরে এ ঘটনায় করা মামলার এজাহারে পুলিশ দাবি করে যে, ইউনিফর্মগুলো কেএনএফের।

তবে শুরু থেকেই পুলিশ ঘটনাটি নিয়ে লুকোচুরি করছে। ১৭ মে প্রথম পোশাকগুলো জব্দ করা হলেও ঘটনাটি জানাজানি হয় ২৫ মে। এরপর দেশজুড়ে শুরু হয় তোলপাড়। সূত্র জানায়, সোমবার রাতে যে গুদাম থেকে ১১ হাজার ৭৮৫ পিস ইউনিফর্ম জব্দ করা হয়েছে, সেটিও রিংভো অ্যাপারেলসের গুদাম। মোট ৩২ হাজার পিস ইউনিফর্ম তৈরির জন্য প্রতিষ্ঠানটি ওয়ার্ক অর্ডার পেয়েছিল। প্রথম দফায় ২০ হাজারের বেশি এবং দ্বিতীয় দফায় প্রায় ১২ হাজার পোশাক জব্দ করে পুলিশ।

এ ঘটনায় ১৭ মে রাতেই রিংভো অ্যাপারেলসের মালিক সাহেদুল ইসলামসহ ওয়ার্ক অর্ডার সংগ্রহকারী গোলাম আজম ও নিয়াজ হায়দারকে গ্রেপ্তার করা হয়। নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে ১৮ মে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। মামলায় গ্রেপ্তার তিনজন ছাড়াও রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের মংহলাসিন মারমা (৩৭) নামের এক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশের করা মামলায় বলা হয়েছে, গত মার্চে পোশাকগুলো কারখানাটিতে ওয়ার্ক অর্ডার দিয়েছিলেন গোলাম আজম ও নিয়াজ হায়দার। তাঁরা মংহলাসিন মারমা, যিনি ‘মং’ নামে পরিচিত, তার কাছ থেকে দুই কোটি টাকায় পোশাকগুলো তৈরির কার্যাদেশ নেন। চলতি মাসের শেষে পোশাকগুলো সরবরাহের কথা ছিল।

মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা জানান, কেএনএফের ইউনিফর্ম সন্দেহে পোশাকগুলো জব্দ করা হলেও সেগুলো আদৌ কেএনএফের কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বেশ কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় সবকিছু স্পষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।

২০২২ সালে ফেসবুকে পেজ খুলে নিজেদের প্রশিক্ষণসহ বেশ কিছু নৃশংস ভিডিও ছড়িয়ে আত্মপ্রকাশ করে পার্বত্য চট্টগ্রামের নতুন সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)। তারা পাহাড়ের দুই জেলার ৯টি উপজেলা নিয়ে একটি আলাদা রাজ্য গঠনের ঘোষণা দেয়। পাহাড়ের দুই ব্যাংকের তিন শাখায় প্রকাশ্য দিবালোকে একযোগে ডাকাতি করে আলোচনায় আসে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি। কিন্তু নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অবস্থান এবং পাহাড়ের অন্যান্য সশস্ত্র সংগঠনের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে শুরুতেই কোনঠাসা হয়ে পড়ে সংগঠনটি। বর্তমানে বান্দরবানের গহিনী দুই-তিনটি উপজেলার মধ্যেই তাদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।

সরাইলে তারেক রহমানের জনসভা ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি

রায়পুরের এক জেলের লাশ হিজলাতে উদ্ধার

রামগঞ্জে আওয়ামী লীগের নেতা গ্রেপ্তার

কোনো মানুষকে এত মারে! কী অপরাধ ছিল তার

র‍্যাব সদস্য নিহতের ঘটনায় বিএনপিকে জড়ানো সুপরিকল্পিত

জিয়াকে হত্যার মাধ্যমে বিএনপিকে হত্যা করতে চেয়েছিল

নারীকে বাঁচাতে গিয়ে মোটরসাইকেল উল্টে বিএনপি নেতা নিহত

চরফ্যাশনে ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি যোগ দিলেন জামায়াতে

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য সীতাকুণ্ডের ছলিমপুর

নোয়াখালীতে হাজতখানায় পরিবার নিয়ে দুই আ.লীগ নেতার ‘বেয়াইখানা’