সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় ভারতের অভ্যন্তরে এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে সীমান্তের প্রায় ১০০ গজ ভেতরে নদীর পানিতে পাথরের ফাঁকে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
নিহত ব্যক্তি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দমদমীয়া সীমান্তঘেঁষা তুরুং গ্রামের কুলিবস্তি এলাকার মৃত সোকরিয়া কন্দ দানীর ছেলে মিক কন্দ দানী (৬০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সীমান্তঘেঁষা এলাকায় বসবাসের কারণে মিক কন্দ দানী প্রায়ই ভারতের অভ্যন্তরে গিয়ে লাকড়ি সংগ্রহ ও খাসিয়াদের বাগানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। স্থানীয়দের দাবি, তিনি অনেক সময় নেশাগ্রস্ত অবস্থায়ও থাকতেন।
বুধবার সকাল ১১টার দিকে তিনি কাঠ ও কাঁঠাল সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে যান। সন্ধ্যা পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় তার ভাই নিখিল কন্দ তাকে খুঁজতে বের হন। একপর্যায়ে সীমান্তের ১২৬০ নম্বর পিলারসংলগ্ন পাহাড়ি তুরুং ছড়ার পানিতে পাথরের ফাঁকে তার লাশ দেখতে পান।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, নিহতের মাথা ও শরীরে পাথরের আঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে স্বজনরা লাশ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।
সিলেট ব্যাটালিয়ন ৪৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হক জানান, বিএসএফ কিংবা ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে নিহত হওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। সীমান্তের কাছাকাছি বসবাস করায় তিনি প্রায়ই ওপারে যাতায়াত করতেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্ঘটনার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. সফিকুল ইসলাম খান বলেন, কীভাবে মৃত্যু হয়েছে এটা নিশ্চিত হতে মৃতুদেহ সিলেট এমএজি মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে মৃত্যুার কারণ জানা যাবে।
এমএইচ