ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় ছাত্রদলের একটি কলেজ কমিটিতে ট্রান্সজেন্ডার সদস্য অন্তর্ভুক্তি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার পর সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক রেদোয়ান ইসলামকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গত রোববার জেলা ছাত্রদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়। তিনি কসবার সৈয়দাবাদ আদর্শ মহাবিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
বহিষ্কারের পর এক ভিডিও বার্তায় রেদোয়ান ইসলাম বলেন, “অনেকে না বুঝে নানা মন্তব্য করছেন। আমাকে বিবেচনা করেই কমিটিতে যুক্ত করা হয়েছিল। সাংস্কৃতিক অঙ্গনে কাজ করার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই এই পদ দেওয়া হয়। আমি মনে করি, যার যে যোগ্যতা আছে সে সেই অনুযায়ী কাজ করতে পারবে—সে ছেলে নাকি মেয়ে, তা বড় বিষয় নয়।”
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সমীর চক্রবর্তী জানান, কসবা উপজেলার সৈয়দাবাদ আদর্শ মহাবিদ্যালয়ে প্রথমে ৫ সদস্যের কমিটি ছিল, পরে ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
তবে অভিযোগ রয়েছে, কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির আগে জমা দেওয়া বায়োডাটায় রেদোয়ান ইসলাম নিজের লিঙ্গ পরিচয় গোপন করে পুরুষ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। পরবর্তীতে জানা যায়, তিনি লিঙ্গ পরিবর্তন করেছেন।
তিনি বলেন, “তথ্য গোপনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।”এ ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।