শিক্ষা অফিস ঘেরাও
শিক্ষা কর্মকর্তার স্বেচ্ছাচারিতায় বিদ্যালয়ের বকেয়া বেতন না পাওয়ায় বিক্ষোভ কর্মসূচির পাশাপাশি শিক্ষা কর্মকর্তার অফিস কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দিলেন নৈশ প্রহরী কাম দপ্তরিরা।
বুধবার ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেনের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ শেষে তালা ঝুলিয়ে দেন তারা।
জানা গেছে, ভাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অধীনে নৈশ প্রহরী কাম বিদ্যালয়ের ৭৪ জন দপ্তরী কর্মরত রয়েছেন। তারা গত কয়েক মাস ধরে সরকারি কোনো বেতন না পাওয়ায় চরম ভোগান্তির শিকার হন পরিবার পরিজনদের নিয়ে। বেতনের দাবিতে শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর হোসেনকে বার বার জানানো সত্ত্বেও তার কাছ থেকে কোনো সদুত্তর পায়নি বলে অভিযোগ করেন বিক্ষোভকারীরা। এ নিয়ে ফুসে উঠেন নৈশ প্রহরী কাম দপ্তরীরা।
বুধবার সকালে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বদলির খবরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেতন না পাওয়া নৈশ প্রহরীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে শিক্ষা কর্মকর্তার অফিসের সামনে জড়ো হয়ে তাদের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন। এ সময় বিক্ষোভকারীদের তোপের মুখে পড়ে নিজের কক্ষ থেকে শিক্ষা কর্মকর্তা বেরিয়ে গেলে শিক্ষা কর্মকর্তার অফিস কার্যালয়ের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে খবর পেয়ে ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহামুদুল হাসান, শিক্ষা কর্মকর্তা ও নৈশ প্রহরী কাম দপ্তরী এবং শিক্ষক নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, নৈশ প্রহরী কাম দপ্তরীদের বেতন আসছে না। আমার কিছু করার নেই। দপ্তরীদের নিজস্ব একাউন্টে বেতন জমা হয়ে থাকে। ভুল বুঝে তারা আমাকে দায়ী করছেন বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ৭৪ জন নৈশ প্রহরী কাম দপ্তরীদের মধ্যে তিন মাস থেকে ছয় মাসের বেতন বকেয়া পড়েছে বলে জানান আদমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দপ্তরী আলাউদ্দিন মিয়া।
এমএইচ