হোম > সারা দেশ > ঢাকা

সালথায় বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত শতাধিক

উপজেলা প্রতিনিধি, সালথা (ফরিদপুর)

ফরিদপুরের সালথায় বিএনপির দু’গ্রুপের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ফরিদপুরের সালথায় বিএনপির দু’গ্রুপের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) ভোর ৬টা বেলা ১২টা পর্যন্ত প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের বালিয়া বাজার এলাকায় কয়েকটি স্থানে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে অন্তত প্রায় ২৫টি গ্রামের হাজারো মানুষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অংশ নেয়। গুরুতর আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষকালে অন্তত ৩০টি বসতবাড়ি ও দোকানপাটে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। লুটপাট করা হয়, গবাদিপশু, নগদ টাকা, দামি গহনা ও মালামাল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে জাহিদ মাতুব্বর ও নুরু মাতুব্বরের মাঝে বিরোধ চলে আসছিল। বর্তমানে তারা দু’জনেই বিএনপির সমর্থক হিসেবে পরিচিত। তবে এর আগে তারা দু’জনেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) নুরু মাতুব্বরের সমর্থক ওমর ফারুককে সালথা সদর বাজার থেকে লাঞ্ছিতের ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরই জেরে কয়েকদিন যাবৎ গট্টি এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এর সূত্র ধরে শনিবার সকালে উভয়পক্ষের হাজারো সমর্থক দেশীয় অস্ত্র ঢাল, কাতরা, ভেলা, টেটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায় এই সংঘর্ষ বালিয়া বাজার, কাঠিয়ার গট্টি গ্রাম ও বালিয়া গট্টি গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

এসময় আতঙ্কে এলাকার নারী ও শিশুদের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছুটাছুটি করতে দেখা যায়। সালথা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। জরুরি ও বহির্বিভাগ রোগীরা ফিরে যেতে বাধ্য হয়। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। গুরুতর আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০টি বসতবাড়ি ও দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়।

এর মধ্যে নুরু মাতুব্বরের সমর্থক ওমর ফারুকের পাঁচটি গরু লুট করে নিয়ে যায় হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে জানতে বিএনপি নেতা জাহিদ মাতুব্বর ও নুরু মাতুব্বরকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। পরে তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

সালথা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মারুফ হাসান রাসেল বলেন, সকাল থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়। খবর পেয়ে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশের সহায়তায় দীর্ঘক্ষণ চেষ্টার পর বেলা পৌনে ১২টার দিকে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এলাকার পরিবেশ শান্ত রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দরপত্র জমা নিয়ে বিএনপি-এনসিপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

গোপালগঞ্জে তিন অবৈধ ইট ভাটাকে ৯ লাখ টাকা জরিমানা

বারবার নোটিশেও বন্ধ হয়নি ভাটা, জরিমানার সঙ্গে চিমনি ভাঙল প্রশাসন

নিখোঁজ ছেলের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন মা

বকেয়া বেতনের দাবিতে কারখানা ভাঙচুর, শ্রমিক-পুলিশের সংঘর্ষ

হাতকড়া পরা আ.লীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিলেন কর্মীরা

ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণ

পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বে অবহেলা না করতে কঠোর নির্দেশনা শিক্ষামন্ত্রীর

বন্ধ জুট মিলগুলো চালু করতে কাজ করছে সরকার: পাট প্রতিমন্ত্রী

দৌলতদিয়ায় গভীর রাতে অভিযান, ১০ জনের কারাদণ্ড