ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সিদ্ধিরগঞ্জ-সোনারগাঁও) সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯ জন তাদের জামানত হারিয়েছেন।
নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী বৈধ ভোটের এক-অষ্টাংশ অর্থাৎ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোটের কম পেলে তার জমা দেওয়া জামানত (অর্থ) বাজেয়াপ্ত হয়। সে অনুযায়ী, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের ১১ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।
এই আসনে ৫৭ দশমিক ৪১ শতাংশ অর্থাৎ ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬১৬ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এর মধ্যে ৭ হাজার ৭৬৪ ভোট বাতিল হওয়ায় ৩ লাখ ৩২ হাজার ৮৫২ ভোট বৈধ হিসেবে গণ্য হয়। যার ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ৪১ হাজার ৬০৭ ভোট।
এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আসনটির ৯ জন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। তাদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ২০ হাজার ৩৭৯, স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম ৪ হাজার ৫৯৬, গণ-সংহতি আন্দোলনের অঞ্জন দাস ৬৩৮, জনতার দলের আবদুল করীম মুন্সী ২৮৫, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)-এর আরিফুল ইসলাম ১৩৭, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গোলাম মসীহ ১৪ হাজার ২২৩, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শাহজাহান ১ হাজার ১৯৩, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী ৭৬৯ এবং গণঅধিকার পরিষদের মো. ওয়াহিদুর রহমান মিল্কী ৩১৪ ভোট পেয়েছেন।