বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোহাম্মদ মোবারক হোসাইন বলেছেন, ৭ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে দেশের পরিস্থিতি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী আমলের চেয়েও খারাপ হতে পারে। দেশকে অস্থিতিশীল করতে নানা বহুমুখী ষড়যন্ত্র চলছে। এরই অংশ হিসেবে বিভিন্ন স্থানে শ্রমিক আন্দোলন শুরু হয়েছে। এই আন্দোলন বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে মোকাবিলা করতে না পারলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা দেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে এবং অর্থনীতি চরম সংকটে পড়বে।
শুক্রবার সকালে বেগনগর কিন্ডারগার্টেন স্কুলের হল রুমে চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীল সমাবেশ ও জেলা আমিরের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথি আরও বলেন, গত ৩১ মার্চের লংমার্চ সারা দুনিয়ায় আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল। চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে লংমার্চ না গেলেও চুয়াডাঙ্গা জেলা সংগঠন বিশাল জনসমাগম ঘটিয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। চুয়াডাঙ্গা একটি ভারসাম্যপূর্ণ জেলা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখানে আমাদের দুজন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। আমরা সরকারে না গেলেও বিরোধী দল হিসেবে জনগণের কাছে আমাদের অনেক কমিটমেন্ট রয়েছে। দায়িত্বশীলদের তা সততার সঙ্গে পূরণ করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত জেলা আমির হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন চুয়াডাঙ্গার সংসদ সদস্য রুহুল আমিন। প্রধান অতিথি তাঁকে অভিনন্দন ও দোয়া জানিয়ে বলেন, তিনি যেন সংগঠন পরিচালনার ক্ষেত্রে সব ধরনের আঞ্চলিকতার ঊর্ধ্বে থেকে জনশক্তির প্রতি ন্যায়বিচার ও ইনসাফ নিশ্চিত করেন। উল্লেখ্য, রুহুল আমিন এর আগে ২০২৩-২০২৪ এবং ২০২৫-২০২৬ সেশনেও জেলা আমিরের দায়িত্ব পালন করেছেন। এটি তাঁর তৃতীয় মেয়াদে জেলা আমির হিসেবে শপথগ্রহণ।
জেলা সহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল।
অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান, সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল কাদের, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আলতাফ হোসাইন, জেলা ইউনিট সদস্য অ্যাডভোকেট মুসলিম উদ্দিন এবং যুব বিভাগের সভাপতি নূর মোহাম্মদসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল বৃন্দ।
Ñএমএইচ