চুয়াডাঙ্গায় ৮ দিন পর তাপমাত্রা পৌঁছাল ১০ ডিগ্রির ওপরে। চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, গত ৫ জানুয়ারি জেলার তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ৬ জানুয়ারি ছিল ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ৭ জানুয়ারি ৭ দশমিক শূন্য ডিগ্রি, ৮ জানুয়ারি ৮ দশমিক শূন্য ডিগ্রি, ৯ জানুয়ারি ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ১০ জানুয়ারি ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ১১ জানুয়ারি ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি, ১২ তারিখে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস আর আজ ১৩ তারিখে ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জেলার তাপমাত্রা পর্যালোচনা করলে দেখ যায়, গত ৮ জানুয়ারি তাপমাত্রা ছিল ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস আর আজ ১৩ জানুয়ারি ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত পাঁচ দিনে তাপমাত্রা বেড়েছে আড়াই ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এই পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে দাঁড়াতে জেলার চারটি উপজেলায় ১৭ হাজার ৬৪৬টি কম্বল বিতরণ কার্যক্রম চলছে। পাশাপাশি ১৭ লাখ টাকা নগদ সহায়তা এসেছে, যা দিয়ে শীতবস্ত্র কিনে বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন। এছাড়া সীমান্ত এলাকায় ৪০০ শীতার্ত মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেছে চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবি।
শ্রমিক সাইদুর রহমান বলেন, ভোরে মাঠে কাজ করতে এসে খুব কষ্ট হয়। এই কনকনে ঠান্ডায় বোরো ধানের চারা রোপণ করা খুব কঠিন। কুয়াশা আর তীব্র শীতে ফসলেরও কিছু ক্ষতি হচ্ছে।
সকালে হাঁটতে বের হওয়া চুয়াডাঙ্গা শহরের মধ্যবয়সি বাসিন্দা শারমিন নাহার বলেন, ভোরের নামাজের পর বাইরে বের হলে চারপাশ কুয়াশায় ঢেকে থাকে, ঠান্ডা খুব বেশি। এই শীতে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যাও বেড়েছে। শিশু ও মায়েদের কষ্ট সবচেয়ে বেশি।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮৬ শতাংশ ।
এসআই