প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, আইটি খাতে দক্ষ জনবল তৈরি করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র অত্যন্ত কার্যকর।
শুক্রবার মেহেরপুরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের বাস্তবায়িত আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মেহেরপুরের তরুণদের জন্য এটি একটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। তিনি আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টরটির সর্বোত্তম ব্যবহারের জন্য মেহেরপুরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম ডেভেলপ করাই আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের উদ্দেশ্য।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, এই কেন্দ্রের মাধ্যমে তিনটি প্রধান উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা হবে। প্রথমত, স্থানীয় উদ্যোক্তা ও আইটিভিত্তিক ক্ষুদ্র ব্যবসাগুলোকে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সহায়তা দিয়ে স্টার্টআপ হিসেবে গড়ে তোলা।
দ্বিতীয়ত, শিক্ষার্থী ও তরুণদের ফ্রিল্যান্সিং, ই-কমার্স ও আইসিটি দক্ষতায় প্রশিক্ষণ দিয়ে মানসম্মত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। তৃতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে শিল্প খাতের কার্যকর সংযোগ তৈরি করে শিক্ষা ও বাস্তব দক্ষতার মধ্যকার ব্যবধান কমানো।
তিনি আরো বলেন, ট্রেনিং সেন্টারটিতে আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব, স্টার্টআপ স্পেস, ইনকিউবেশন সুবিধা এবং ১৫০ আসনের একটি অডিটোরিয়াম থাকবে। এসব সুবিধা উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ব্যবসায়িক প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে ব্যবহার করা হবে। এখানে দেওয়া সব প্রশিক্ষণ জাতীয় স্কিল ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (NSDA) কর্তৃক ভেরিফায়েড হবে, যাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা দেশ-বিদেশে এর স্বীকৃতি পান।
অনুষ্ঠানে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. শেখ বখতিয়ার উদ্দিন, জেলা প্রশাসক ড. সৈয়দ এনামুল কবির, পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়, প্রকল্প পরিচালক আরিফুজ্জামানসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, প্রশিক্ষণার্থী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।