কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার সুবিল ইউনিয়নের পূর্ব নারায়ণপুর গ্রামে একটি কুকুরকে লাথি দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে হাতাহাতিতে জুলুস মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার পূর্ব নারায়ণপুর গ্রামের মৃত সায়েদ আলীর ছেলে।
বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে উপজেলার পূর্ব নারায়ণপুর গ্রামের মধ্যপাড়ায় আশরবের বাড়ির সামনে একটি চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের সিদ্দিকের ছেলে কামাল (৩৫) একটি কুকুরকে লাথি দিলে এর প্রতিবাদ করেন জুলুস মিয়া। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, সংঘর্ষের একপর্যায়ে কামাল জুলুস মিয়ার অণ্ডকোষে লাথি মারলে তিনি ঘটনাস্থলেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের নাতি আকাশ গণমাধ্যমকে জানান, আমি বাড়ির পাশে একটি মাচায় বসে ছিলাম। হঠাৎ চিৎকার শুনে গিয়ে দেখি আমার দাদা মাটিতে পড়ে আছেন, বাকিরা দৌড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। এ সময় আনোয়ার নামে একজন দা নিয়ে আমার দিকে তেড়ে আসে। পরে স্থানীয়রা দাদাকে হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতাল থেকে জানতে পারি তিনি মারা গেছেন।
নিহতের বড় ছেলে ইব্রাহিম বলেন, ‘আমার বাবাকে যারা এভাবে নির্মমভাবে হত্যা করেছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন বলেন, ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।