গৌরীপুর-এ অনুষ্ঠিত প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার প্রথমদিনে পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার উদ্বেগজনকভাবে কম দেখা গেছে।
চার দিনব্যাপী এ পরীক্ষার প্রথমদিন বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত উপজেলার একমাত্র কেন্দ্র গৌরীপুর পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট ১ হাজার ২৭০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৬৪ জন অনুপস্থিত ছিল। অনুপস্থিতদের মধ্যে ২৪৬ জন বালক এবং ৩১৮ জন বালিকা।
পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিস আফিয়া আমীন পাপ্পা এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাঈদা রুবায়াত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গৌরীপুর উপজেলার ১৭৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ১ হাজার ১৩৫ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ২০২৫ সালের ২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও আইনি জটিলতায় তা স্থগিত হয়। পরে স্থগিত থাকা এ পরীক্ষা ২০২৬ সালের ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এতে সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ২৭টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (কিন্ডারগার্টেন, ইংলিশ মিডিয়াম ও মাদ্রাসা) থেকে আরও ১৩৫ জন শিক্ষার্থীসহ মোট ১ হাজার ২৭০ জনের অংশগ্রহণের কথা ছিল।
তবে নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত না হওয়া এবং পরবর্তীতে পর্যাপ্ত প্রচারণার অভাবের কারণে উপস্থিতি কমে গেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাঈদা রুবায়াত জানান, যেসব শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল, তাদের অধিকাংশই বর্তমানে বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। ভর্তি সংক্রান্ত কারণে অনেকেই এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছে। পাশাপাশি নতুন শ্রেণির পড়াশোনার চাপের কারণে অনেকেই পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে পারেনি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব কারণেই পরীক্ষার প্রথমদিনে উপস্থিতির হার আশানুরূপ হয়নি।