বাংলাদেশের বিজিবি ও ভারতের বিএসএফের অধিনায়ক পর্যায়ে শূন্যরেখায় একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে উভয় পক্ষ সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা কমাতে যা করণীয় তাই করবে বলে একমত হয়েছে।
শনিবার বিকেলে পাতাকা বৈঠকের পর ৫৯ বিজিবি ব্যাটেলিয়ানের অধিনায়ক লে.করনের গোলাম কিবরিয়া জানান, সীমান্তে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টিতে উভয় দেশ সম্মত হয়েছে।
এর আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চৌকা সীমান্তে আবারও উত্তেজনা দেয়া দেয়। সীমান্তে শূন্যরেখার পাশে বাংলাদেশের ভেতরের জমিতে গম তুলতে যায় স্থানীয়রা। তখন ভারতীয় নাগরিকেরা এসে বাংলাদেশিদের বাধা দেন।
এ সময় ভারতীয়রা বাংলাদেশের ভেতরের কয়েকটি আমগাছ কেটে ফেলে। এ নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিকদের মধ্যে শুরু হয় ধাওয়া পালটা ধাওয়া।
এ সময় ভারতীয় নাগরিকদের হাঁসুয়ার আঘাতে ও তাঁদের ছোড়া পাথরে আহত হন একজন বিজিবি সদস্যসহ কয়েকজন বাংলাদেশি। তারা বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভারতীয়দের বিরুদ্ধে সাউন্ড গ্রেনেড ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগও তোলে বাংলাদেশিরা।
চৌকা সীমান্তে বিএসএফের কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ নিয়ে কয়েক দিন ধরে বিরাজ করে উত্তেজনা।
এদিকে পতাকা বৈঠকের পরেও আতংক কাঠের সীমান্তবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষজনের মাঝে।