গাইবান্ধার মহিমাগঞ্জে বাঙ্গালী নদীর তীরে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। ঈদুল আজহার তৃতীয় দিনেও সকাল থেকে সন্ধ্যা দেওয়ানতলা ব্রিজ, মজিদের ঘাট, মহিমাগঞ্জ রেল স্টেশনের আশপাশের এলাকা পর্যটকদের পদচারণে মুখর হয়ে উঠেছে।
নদীর তীরে ঘুরতে আসা আশিকুর রহমান বলেন, রাজধানীর শহুরে জীবন থেকে চাইলেই আর বের হওয়া যায় না। তাই ঈদের ছুটি পেলেই গ্রামে ছোটে আসি। বাঙ্গালী নদীর তীরে এসে ভালো লাগছে। এ যেন এক অন্যরকম পাওয়া।
বড়াইকান্দি এলাকার বাসিন্দা রিপন মিয়া বলেন, চট্টগ্রামে একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করি। গ্রামের ছায়াঘেরা আর প্রকৃতি মিশে আছে বাঙ্গালী নদীর তীরে। সেখানে চোখ ফেরালেই দেখা যাবে প্রাকৃতিক পরিবেশে ঘেরা এক সুন্দর পরিসর। সবকিছুই খোলামেলা মনমুগ্ধ পরিবেশ। এ যেন প্রকৃতির মাঝে এক অপরূপ সৌন্দার্যের হাতছানি।
শনিবার ওই এলাকায় মশিউর রহমান ও ফাগুন নামের একজন বলেন, আমরা বোনারপাড়া এলাকা থেকে এখানে বেড়াতে এসেছি। এখানকার পরিবেশ বেশ ভালোই লাগল।
একই কথা জানিয়ে বগুড়া থেকে ঘুরতে আসা রেজাউল করিম বলেন, এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ যে কারো ভালো লাগবে। নদীর ধারে ঘুরতে এসে মনটাও বেশ ফ্রেশ লাগছে।
স্থানীয় কচুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খন্দকার জানান, জেলায় ভালো কোনো বিনোদনের স্পট নেই। তাই ঈদে ওই এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দার্য উপভোগ করতে দলে দলে ছুটে আসছে মানুষ। সৌন্দর্য পিপাসু লোকজনের নিরাপত্তার প্রশাসনের সজাগ দৃষ্টি প্রয়োজন।
জেডএম