টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে গাইবান্ধা তিস্তা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট ও করতোয়াসহ বিভিন্ন নদনদীর পানি গত কয়েক দিন বাড়লেও আজ বাড়েনি। যমুনায় ব্যাপক স্রোত রয়েছে। সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার বেশ কিছু এলাকা নদীভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে।
টানা বৃষ্টিতে গাইবান্ধা সহ উপজেলা শহরে অচল অবস্থা বিরাজ করছে। রাস্তায় পানি জমিয়ে থাকায় জনভোগান্তি দেখা দিয়েছে। গাইবান্ধায় গত কয়েকদিনে ঘন্টায় ১৫২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড ।
টানা ভাড়ি বৃষ্টিতে তিস্তানদীর পানি বাড়ছে। ঘাঘট, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে নদীর পাড়ের মানুষদের মাঝে নদী ভাঙন আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সরেজমিন সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, গোবিন্দপুর, কালুরপাড়া, নলছিয়া, গোবিন্দি হলদিয়া এলাকায় ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজ অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে। পানি বেড়ে যাওয়ার আগের দীর্ঘ সময় পাওয়া গেলেও কাজ শেষ করা হয়নি। এতে নদী পাড়ের মানুষের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।
হলদিয়ার সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের পাশে একটি এলাকায় বালু ভর্তি বস্তা ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে পানির স্রোতের গতি বেশি থাকায় সেখানে কয়েকটি বাড়ি হুমকিতে রয়েছে। এদিকে চর এলাকায় কয়েকটি স্থানে নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। সেখানে আবাদি জমি ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে।
হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান বলেন, নদীতে পানি তেমন না বাড়লেও চর এলাকাগুলোতে ভোগান্তি রয়েছে।
সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল কবীর বলেন, আমরা নৌযান নিয়ে নদীর তীরবর্তী ও চর এলাকাযর ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। সমস্যাগুলো সরেজমিন জানার চেষ্টা করছি।
এমএইচ