কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ঠেলে দেওয়া শিশুসহ চারজনকে পরিবারের হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে রৌমারী থানার ওসি কাওসার আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চারজন হলেন— বেলাল হোসেন (২৮), তার স্ত্রী সুমি আক্তার (২৬), তাদের দুই সন্তান ফাইমা (৫ মাস) ও ফাতেমা আক্তার (৪)।
এরআগে, বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে মানবিক বিবেচনায় চারজনকে প্রথমে থানায় হস্তান্তর করে বিজিবি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সোনা মিয়া বলেন, বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠকের পর দুই শিশুসহ স্বামী-স্ত্রীকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে পাঁচজন এখনো ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতের মধ্যেই নোম্যান্স ল্যান্ডে দিন কাটাচ্ছেন।
রৌমারী থানার ওসি মো. কাওসার আলী বলেন, আইনি প্রক্রিয়া ও পরিচয় যাচাই-বাছাই শেষে রাতেই বেলাল হোসেনের পরিবারকে তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
রোববার (১৪ জুন) ভোরে ভারতের আসাম রাজ্যের দক্ষিণ সালমারা মানকারচর জেলার ঝালোরচর ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা ১ নারী, ৩ পুরুষ ও ২ শিশুসহ মোট ৬ নাগরিককে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশইনের চেষ্টা চালায়। বিজিবি ও স্থানীয় জনতার বাধায় তারা সীমান্তের নোম্যান্স ল্যান্ডের ভারতীয় অংশে আটকে পড়ে।
একই রাতে আন্তর্জাতিক ১০৬৬ মেইন পিলারের কাছ দিয়ে ভারতের মানকাচর ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা আরো ৩ যুবককে ভন্দুচর এলাকা দিয়ে পুশইনের চেষ্টা করে। তারাও বিজিবির বাধার মুখে নোম্যান্স ল্যান্ডে আটকা পড়ে। সব মিলিয়ে মোট ৯ জন আটকা পড়ে।
জেডএম