বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে পাঠচক্র সদস্যদের নিয়ে মৌসুমী ফল উৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে জেলার বাছাইকৃত পাঠচক্র সদস্যদের অংশগ্রহণে এ আয়োজন করে ছাত্রশিবিরের গাইবান্ধা জেলা শাখার মানবসম্পদ উন্নয়ন (এইচআরডি) বিভাগ। সংগঠনের বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রশিবির গাইবান্ধা জেলা সভাপতি ইউসুফ আল কারযাভী। জেলা মানবসম্পদ উন্নয়ন (এইচআরডি) সম্পাদক হুমায়ুন ফারহান সাদিকের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও বগুড়া শহর সভাপতি হাবিবুল্লাহ খন্দকার। এছাড়াও জেলা শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাবিবুল্লাহ খন্দকার বলেন, মৌসুমি ফল উৎসব দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ, কৃষি ঐতিহ্য ও স্বাস্থ্যসচেতনতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদযাপন। বাংলাদেশ ঋতুবৈচিত্র্যের দেশ হওয়ায় প্রতিটি ঋতুতে বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ফল পাওয়া যায়, যা মানুষের খাদ্যাভ্যাসকে সমৃদ্ধ করে।
তিনি বলেন, গ্রীষ্মকালে আম, কাঁঠাল, লিচু ও জাম, বর্ষাকালে আনারস ও পেয়ারা এবং শীতকালে কমলা ও বরইসহ নানা ধরনের ফল মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মৌসুমি ফলে থাকা ভিটামিন, খনিজ, আঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং সুস্থ জীবনযাপনে সহায়তা করে।
দেশীয় ফলের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বিদেশি ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের পরিবর্তে দেশীয় মৌসুমি ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বলেন, যারা দুনিয়ার অন্যান্য কাজের তুলনায় দ্বীনের কাজকে প্রাধান্য দেন, আল্লাহ তাদের দুনিয়া ও আখিরাতে সম্মানিত করেন।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে বিভিন্ন মৌসুমি ফল পরিবেশন করা হয় এবং দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্যগত উপকারিতা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।