লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় মানুষের ঢল নেমেছে। ঈদুল আজহার আনন্দ উপভোগ করতে লালমনিরহাট ছাড়াও রংপুর, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রামসহ বিভিন্ন জেলার লোকজন আসছেন এখানে। ব্যারাজের মূল কাঠামো, নদীর প্রবাহ, সবুজ প্রকৃতি আর খোলা আকাশ দেখতে ভিড় জমিয়েছেন তারা।
ঢাকা থেকে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার সিন্দুনা গ্রামে পরিবার নিয়ে ঈদ করতে আসা আখতার হোসেন বলেন, ‘কোরবানির ব্যস্ততা শেষে পরিবারের সবাইকে নিয়ে একটু স্বস্তির সময় কাটাতে তিস্তা ব্যারাজে এসেছি। এখানকার পরিবেশ সত্যিই অসাধারণ লাগছে। তবে মানুষের ভিড়টা অনেক বেশি।’
দর্শনার্থী মনিরা ইয়াসমিন বলেন, চমৎকার স্থান। এই জায়গায় হোটেল রেস্তোরাঁ গড়ে তোলা খুব প্রয়োজন। তাহলে দেশ-বিদেশের অনেক মানুষ এখানে ঘুরতে আসবে বলে মনে করছি। বিশেষ করে আমরা যারা অনেক দূর থেকে আসি, তারা যেন তিস্তা ব্যারাজের কথা অন্যদের কাছে বলতে পারি।
ব্যারাজের দুই পাড়ে হরেক রকমের পসরা নিয়ে বসেছেন অস্থায়ী দোকানদারেরা। তিস্তার পাড়ে রঙিন ঘুড়ি, দোকানপাটসহ স্থানীয় হস্তশিল্পের পসরা নিয়ে বসেছেন তারা।দোকানগুলোতে দেখা যাচ্ছে ক্রেতাদের ভিড়।
তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টের ভ্রাম্যমাণ দোকানদার মাসুদ মিয়া বলেন, অনেক দিন পর একটু ভালো ব্যবসা হচ্ছে। লোকসমাগমও খুব বেশি। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মানুষ আসছে। বিক্রিও ভালো। দর্শনার্থীর চাপ আরো কয়েক দিন অব্যাহত থাকবে।
তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিচ্ছেন আনসার ও পুলিশ সদস্যরা। প্রতিটি মোড়ে মোড়ে সাদা পোশাকের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত রয়েছে। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে টহল জোরদার করা হয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
জেডএম