নীলফামারীর জলঢাকায় নির্বাচনি বিলবোর্ড লাগানো নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের সমর্থকদের পাল্টাপল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দিবাগত রাত ৯টার দিকে জলঢাকা পৌর শহরের আবু সাঈদ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। উপজেলা শহরে বিরাজ করছে থমথমে পরিস্থিতি।
প্রতক্ষ্যদর্শীরা বলেন, শহরের আবু সাঈদ চত্বরে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের কয়েকটি বিলবোর্ড আগে থেকেই লাগানো ছিল। রাতে বিএনপি প্রার্থীর কয়েকটি বিলবোর্ড নিয়ে এসে সেখানে লাগানোর চেষ্টা করেন। এ সময় জামায়াতের কর্মীরা সেখানে বিলবোর্ড লাগাতে বাধা দেয়। পরে দুই পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং একপর্যায়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় শহরজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ আলীর নির্বাচন সমন্বয়কারী ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী কমেট বলেন, “আমাদের একজন কর্মী বিলবোর্ড লাগাতে গিয়েছিল, সেখানে জামায়াত প্রার্থীর লোকজন বাধা দিয়েছে। আমরা কখনো বিশৃঙ্খলা চাই না, প্রশাসনের প্রতি আমাদের আস্থা রয়েছে। আজ আমাদের নেতাকর্মীর সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে। তবে আমরা আমাদের নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছি।”
জামায়াত প্রার্থী ওয়াবদুল্লাহ সালাফির নির্বাচন সমন্বয়কারী উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির কামরুজ্জামান বলেন, “আমাদের ওখানে বিলবোর্ড লাগানো ছিল। বিএনপির লোকজন এসে আমাদের বিলবোর্ডের ওপর বিলবোর্ড লাগাচ্ছিলেন। এ সময় আমাদের কর্মীরা বাধা দিলে তারা আমাদের কর্মীদের মারধর করেন। এ ঘটনায় আমাদের তিনজন আহত হয়েছেন।”
এ ব্যাপারে জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ নামজুল আলম জানান, বিলবোর্ড লাগানো নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এখন ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।