হোম > সারা দেশ > রংপুর

৫ কেন্দ্রে পুনঃভোট ও সব কেন্দ্রে পুনঃগণনার দাবি জামায়াত প্রার্থীর

ভোট ‘কারচুপির’ অভিযোগে গাইবান্ধা-৪ আসনে ফলাফল প্রত্যাখ্যান

জেলা প্রতিনিধি, গাইবান্ধা

গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে সদ্য অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম, কেন্দ্র দখল ও ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগ এনে ঘোষিত ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য সমর্থিত ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. মো. আব্দুর রহিম সরকার। তিনি নির্দিষ্ট ৫টি কেন্দ্রে পুনঃভোট গ্রহণ এবং অবশিষ্ট সকল কেন্দ্রে ভোট পুনঃগণনার দাবি জানিয়েছেন।

এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তার নির্বাচনি এলাকায় নজিরবিহীন অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, নির্বাচনের দিন বিএনপি ও তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জোরপূর্বক বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রবেশ করে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয় এবং ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে সিল মারে।

যেসব কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ

মো. আব্দুর রহিম সরকার ৫টি কেন্দ্রের নাম উল্লেখ করে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে ধরেন—

বালুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (কেন্দ্র-১২০): পোলিং এজেন্টদের বের করে দিয়ে ৬০-৭০ জন বহিরাগত ব্যালট ছিনতাই করে।

কুমিরাডাঙ্গা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (কেন্দ্র-১২৪): প্রায় ৮০-৯০ জন প্রবেশ করে জোরপূর্বক জাল ভোট প্রদান করে।

গোপালপুর ২নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (কেন্দ্র-১২৫): ৬৫-৭০ জন ব্যক্তি প্রবেশ করে পোলিং অফিসারদের জিম্মি করে ব্যালট পেপারে সিল মারে।

কোচারশহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (কেন্দ্র-১০৫): পোলিং এজেন্টদের বের করে দিয়ে ব্যাপক হারে জাল ভোট প্রদান করা হয়।

দামগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (কেন্দ্র-১২৭): শতাধিক বহিরাগত কেন্দ্রে প্রবেশ করে ব্যালট ছিনিয়ে নিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে সিল মারে।

গণনায় কারচুপির অভিযোগ

ভোট গণনার সময়ও অনিয়ম হয়েছে বলে দাবি করেন এই প্রার্থী। তার অভিযোগ, গণনার সময় অনেক কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ১২০টি ব্যালটকে ১০০টির বান্ডিল এবং ধানের শীষের ৮০টি ব্যালটকে ১০০টির বান্ডিল হিসেবে গণনা করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। এমনকি ধানের শীষের বান্ডিলে দাঁড়িপাল্লার ভোট ঢুকিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, একটি কেন্দ্রে ১,৮০০ ভোটের স্থলে ২,৮০০ ভোট দেখানো হয়েছে, যেখানে তার এজেন্টের স্বাক্ষর নেই।

মো. আব্দুর রহিম সরকার বলেন,“অনিয়মের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও রিটার্নিং অফিসারকে লিখিত ও মৌখিকভাবে অভিযোগ জানালেও তারা কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। অনিয়মের স্থিরচিত্র, ভিডিও ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী আমাদের কাছে রয়েছে।”

এমতাবস্থায় তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি গাইবান্ধা-৪ আসনের ঘোষিত ফলাফল স্থগিত করে উল্লেখিত ৫টি কেন্দ্রে পুনঃভোট এবং বাকি কেন্দ্রগুলোতে ভোট পুনঃগণনার মাধ্যমে সংশোধিত ফলাফল ঘোষণার জোর দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে জেলার ৫টি আসনের ৪জন নির্বাচিত জামায়াত প্রার্থী ও ফলাফল প্রত্যাখ্যান করা প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন।

দিনাজপুরের ৬টি আসনে ২৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

গাইবান্ধা-৩ আসনে ৮ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

রংপুর-১ আসনে তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

হারাগাছে পরাজিত ধানের শীষ প্রার্থীর সমর্থকদের বিক্ষোভ

নীলফামারীতে নবনির্বাচিত এমপিকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর শুভেচ্ছা

ভোটে হেরে ওরা উম্মাদের মতো আচরণ করছে: আখতার হোসেন

বড় ভাইকে হারিয়ে ছোট ভাইয়ের জয়

নড়াইলে বিএনপি ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১৫

দিনাজপুর-৬ আসনে ধানের শীষের জয়ী প্রার্থীকে দাঁড়িপাল্লা প্রার্থীর অভিনন্দন

ভোটে জিতেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ অফিস খুলে দিলেন বিএনপি নেতা